রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

ফ্লাইদুবাই বিমানে সহ-পাইলটকে বেঁধে রাখলেন যাত্রীরা, প্রকাশ্যে নতুন ভিডিয়ো

Published on: October 4, 2026
---Advertisement---

ফ্লাইদুবাইয়ের তেল আভিভগামী বিমানে সহ-পাইলটকে ঘিরে নতুন ভিডিয়ো সামনে এল। বিমানের ভিতরে হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা গেল ওমানের সহ-পাইলট হামাম আল-হাম্মামিকে। তাঁর দু’হাত পিছনে বাঁধা ছিল। সেই সময় যাত্রীদের বলতে শোনা যায়, “শুধু পুলিশ” এবং “পুলিশের কাছেই দিতে হবে”। যা ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যম i24NEWS ভিডিয়োটিকে প্রকাশ করতে দেখা গেছে। (Flydubai co-pilot)

ককপিটে হামলার অভিযোগ

ঘটনাটি ঘটে ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে। বিমানটি তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। অভিযোগ, সহ-পাইলট হামাম আল-হাম্মামি ভারতীয় পাইলট স্মিত মাচ্ছারকে ককপিটে হামলা করেন। এরপর স্মিত ককপিটের দরজা খুলে বাইরে থাকা কর্মীদের বিষয়টি জানান। পরিস্থিতি বুঝে কয়েক জন যাত্রী এগিয়ে আসেন। তাঁদের মধ্যে বিমানে কর্মরত ছিলেন না এমন দু’জন পাইলটও ছিলেন। তাঁরা মিলে হামামকে নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে তাঁর হাত পিছনে বেঁধে রাখা হয়।(Flydubai co-pilot)

যাত্রীদের দাবি, পুলিশের হাতে তুলে দিতে চেয়েছিলেন

নতুন ৪৫ সেকেন্ডের ভিডিওতে হামামকে বিমানের ভিতরে হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা যায়। তাঁর পোশাকে রক্তের দাগও দেখা যায়। ভিডিওজুড়ে যাত্রীদের বারবার বলতে শোনা যায়, “জাস্ট পুলিশ” এবং “ওনলি পুলিশ”। এক যাত্রীকে বলতে শোনা যায়, “এক ঘণ্টা ৪০ মিনিট। আরও পাঁচ মিনিট।”(Flydubai co-pilot)যাত্রীদের বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁরা প্রায় এক ঘণ্টা ৪০ মিনিট ধরে হামামকে আটকে রেখেছিলেন। আরও কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে তাঁকে স্থানীয় পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার প্রস্তুতি ছিল তাঁদের।

সহ-পাইলটকে ছেড়ে দিতে বলেছিল ক্রু?

ইজরায়েলি যাত্রীদের অভিযোগ, বিমানের কয়েক জন ক্রু সদস্য তাঁদের হামামকে ছেড়ে দিতে বলেছিলেন। ব্যাঙ্কিং আধিকারিক তজভিকা মানেস এবং রিয়েল এস্টেট পেশার সঙ্গে যুক্ত ড্যানিয়েল শ্লিখটার এই দাবি করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, ক্রু সদস্যরা হামামের বাঁধন খুলে দিতে বলেছিলেন। মানেস বলেন, তাঁরা কেন এমন কথা বলছেন, তা বুঝতে পারেননি। বরং তাঁদের সন্দেহ আরও বেড়ে যায়। মানেস, প্লাম্বার ইয়ানিভ হায়ুন এবং আসাফ রাজুয়ান হামামকে ধরে রাখেন।(Flydubai co-pilot)

অক্সিজেন মাস্কও দেওয়া হয়

যাত্রীদের দাবি, হামামকে আটকে রাখার সময় তিনি “আমাকে মেরে ফেলুন” বলছিলেন। এরপরও কয়েক জন ক্রু তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন বলে অভিযোগ। যাত্রীদের সঙ্গে ক্রু সদস্যদের তর্কাতর্কিও হয়। যাত্রীরা হামামকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে চেয়েছিলেন। এমনকি তিনি যাতে বেঁচে থাকেন এবং তদন্তকারীরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন, সে জন্য তাঁকে অক্সিজেন মাস্কও দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, কেবিন ক্রু যাত্রীদের নিজেদের আসনে ফিরে যেতে এবং ককপিটের কাছের এলাকা ছেড়ে দিতে বলেছিলেন বলে অভিযোগ। কিন্তু হামলার আশঙ্কায় যাত্রীরা তা মানেননি। তাঁরা ক্রুদের বিমানের মাঝের অংশে বসতে বলেন। বর্তমানে হামাম আল-হাম্মামি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির হেফাজতে রয়েছেন বলে জানা গেছে। (Flydubai co-pilot)


Ranita Saha

নতুন নতুন বিষয় জানার ইচ্ছে থেকেই সাংবাদিকতার পেশায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতার স্নাতকোত্তরের ছাত্রী। কলেজ জীবন থেকে বিভিন্ন পত্রপত্রিকার লেখালেখি শুরু। বাংলা, ইংরেজির পাশাপাশি হিন্দিতেও স্বচ্ছন্দ। রাজনীতি ছাড়াও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক এবং বিনোদন সংক্রান্ত খবর লিখতে ভালো লাগে। অবসর সময়ে বই একমাত্র বন্ধু। পড়ালেখার পাশাপাশি গান, নাচ এবং আঁকা ভালোবাসার বিষয়।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now