মাঝ আকাশে (Flydubai) ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে হামলার ঘটনায় তদন্তে উঠে আসছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। তেল আভিভে বিমান ভেঙে ফেলার পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানের দুই ইঞ্জিনের জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছিলেন ওমানি সহ-পাইলট হাম্মাম আল-হামামি—এমনই সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ইতালির সংবাদপত্র Corriere della Sera-র প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।
কী পরিকল্পনা ছিল সহ-পাইলটের?
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইজরায়েলি গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, প্রথমে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে হত্যা করে (Flydubai) বিমানটি তেল আভিভে নিয়ে গিয়ে একটি বহুতলে ধাক্কা মারার পরিকল্পনা করেছিলেন সহ-পাইলট। সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে মরুভূমিতে বিমানটি ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেন তিনি।
ককপিটে কুঠার নিয়ে হামলা
তদন্তকারীদের বয়ান অনুযায়ী, নামাজ পড়ার ভান করে হঠাৎ ককপিটে থাকা ক্র্যাশ অ্যাক্স তুলে ক্যাপ্টেনের উপর হামলা চালান তিনি। গুরুতর জখম হন ক্যাপ্টেন। ককপিটের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হলেও তিনি ফের তা খুলতে সক্ষম হন। পরে যাত্রী ও বিমানে থাকা দুই অফ-ডিউটি পাইলট ককপিটে ঢুকে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। (Flydubai)
৩০ সেকেন্ডে ১৬ হাজার ফুট নিচে
(Flydubai) সহ-পাইলট অটোপাইলট বন্ধ করে দেন। মাত্র ৩০ সেকেন্ডে বিমানটি প্রায় ১৬ হাজার ফুট নেমে যায়। গতি ঘণ্টায় প্রায় ৯৭০ কিলোমিটারে পৌঁছয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানের লেজের রাডারও। তদন্তকারীরা পরীক্ষা করছেন, তিনি দুই ইঞ্জিনের ফুয়েল সুইচ ‘Run’ থেকে ‘Cutoff’ করেছিলেন কি না। কেবিনের জরুরি আলো জ্বলে ওঠাও ইঞ্জিন বা জেনারেটর বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
যাত্রীদের তৎপরতায় বড় বিপদ এড়াল বিমান
১৭৪ জন যাত্রী নিয়ে বিমানটি উড়ছিল। তাঁদের বেশিরভাগই ইজরায়েলি। যাত্রী ইয়ানিভ হায়ুন নিয়ন্ত্রণ স্টিক টেনে বিমানটির নীচে পড়া থামান। পরে দুই অফ-ডিউটি পাইলট বিমানটি নিয়ন্ত্রণে এনে ইঞ্জিন ফের চালু করেন বলে দাবি।
সৌদি এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের নির্দেশে বিমানটি তাবুকে জরুরি অবতরণ করে। (Flydubai) ক্যাপ্টেনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সহ-পাইলটকে সৌদি কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
রাশিয়ায় প্লেগে মৃত্যু গবেষকের, কোয়ারেন্টাইনে ২০০-র বেশি; বন্ধ ৫টি হাসপাতাল













1 thought on “9/11-এর স্টাইলে হামলার ছক-দুই ইঞ্জিন বন্ধ করে সহ পাইলট, ফ্লাইদুবাই কান্ডে প্রকাশ্যে আপডেট”
Comments are closed.