ইরানের (Iran War News) অস্ত্রভান্ডার লক্ষ্য করে আমরিকা অবং ইজরায়েলর যৌথ হামলা। সেই হামলার এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের ভিডিয়ো সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ এক মার্কিন আধিকারিককে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে,সোমবার রাতে ইসফাহানের একটি অস্ত্রভান্ডারে ৯০৭ কিলোগ্রামের বাঙ্কার বাস্টার বোমা ফেলা হয়েছে।
যদিও ট্রাম্প ভিডিয়োটি সম্পর্কে কোনও ব্যাখ্যা দেননি। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬ টা নাগাদ (ভারতীয় সময় অনুসারে) জোরালো বিস্ফোরণের একটি ভিডিয়ো সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ভিডিয়োটি দেখে অনেকেই মনে করছেন, ইসফাহানে হামলার ভিডিয়োই প্রকাশ করেছেন তিনি। ট্রাম্পের পোস্ট করা ভিডিয়োয় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। তারপরেই দেখা যাচ্ছে রাতের অন্ধকারে বড় আগুনের গোলা উপর দিকে উঠছে।
‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর উদ্ধৃত এক মার্কিন কর্তার মতে, মার্কিন বাহিনী ইসফাহানের গোলা-বারুদের ডিপোতে ২,০০০ পাউন্ড (প্রায় ৯০৭ কিলোগ্রাম)ওজনের বাঙ্কার বাস্টার বোমা দিয়ে হামলা চালিয়েছে। ওই কর্তা বলেন,”এই হামলায় বিপুল পরিমাণে বাঙ্কার বাস্টার বা পেনিট্রেটর যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।”
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, এই হামলায় একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে, যার জেরে এলাকা জুড়ে বিশাল আগুনের গোলা ও বিস্ফোরণের কম্পন অনুভূত হয়। এই হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে। যদিও পাকিস্তান, মিশর, সৌদি আরব এবং তুরস্ক একটি কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে বৈঠকে বসেছে।
ইসফাহান ইরানের গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর। শহরে ২৩ লক্ষ মানুষের বাস। ইরানের বায়ুসেনা ঘাঁটি বদর্ও এই শহরে রয়েছে। তা ছাড়া ইসফাহানের পূর্ব দিকে রয়েছে ইরানের বৃহত্তম পরমাণু গবেষণাকেন্দ্রটি।
গত সপ্তাহেই ইসফাহান শহরের একটি গ্যাস উৎপাদন সংস্থায় আমেরিকা হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছিল ইরান। ওই হামলার জেরে কেন্দ্রটি ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সোমবারের হামলার পরেও ইসফাহানের আশপাশের এলাকা কেঁপে উঠেছে বলে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলি দাবি করেছে। সম্প্রতি একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে,পরমাণু (Iran War News) অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বড় অংশ (প্রায় ৫৪০ কেজি) ইসফাহান শহরের তলায় সরিয়ে ফেলেছে তেহরান। তারপরেই এই হামলা।












