মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঙ্কারের পরই ভারতকে ফোন ইরানের। হরমুজ প্রণালী খোলার জন্য ইরানকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত ডেডলাইন দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এবার সেই ডেডলাইনের সীমা আরও ২৪ ঘণ্টা বাড়ালেন ট্রাম্প। এই পরিস্থিতিতে রবিবার ইরানের বিদেশমন্ত্রী ফোন করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে (Jaishankar-Iran FM talk)।
কিন্তু ফোন করে কী বললেন? ইরানের সঙ্গে ফোনে কথা বলার বিষয়টি এদিন নিজেই জয়শঙ্কর সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করে জানালেন। তিনি লেখেন, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েই দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। যদিও এই কথোপকথনের বিষয়ে এর থেকে বেশি কিছুই সামনে আনেননি জয়শঙ্কর। অন্যদিকে ভারতের ইরান দূতাবাস থেকে এক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
এর আগে জয়শঙ্কর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক রাষ্ট্রের সঙ্গে কথা বলেন। কথা হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উপপ্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রী আবদুল্লা বিন জায়েদের সঙ্গে। কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছেন জয়শঙ্কর (Jaishankar-Iran FM talk)। যদিও ওই আলোচনাগুলিরও প্রকাশ করা হয়নি।
কেন ভারতকেই ফোন করল ইরান? বর্তমান পরিস্থিতিতে একদিকে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে, অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। এই দুইয়ের ভারসাম্য ভারতকে এক অনন্য মধ্যস্থতাকারীর আসনে বসিয়েছে। সেক্ষেত্রে এই সংঙ্কটকালে ভারতের অবস্থান কী? ফোনালাপে কিছুটা হলেও জল মাপতে পেরেছে ইরান।
ভারতের জন্য এই পরিস্থিতি ‘শাঁখের করাত’-এর মতো। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার একটি বড় অংশ এই হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। যদি কোনও কারণে এই পথে যুদ্ধ বা অস্থিরতা শুরু হয়, তবে ভারতে তেলের দাম আকাশছোঁয়া হতে পারে, যা দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরণের প্রভাব ফেলবে।












