হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। এখনও পর্যন্ত ৬৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ প্রায় ৩,০০০ জন। এই পরিস্থিতিতে তথ্য গোপনের মতো ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠল চিনের বিরুদ্ধে। নেপাল ও চিনের তিব্বত সীমান্ত অঞ্চলে সাম্প্রতিক ভয়াবহ হড়পা বানের (Flash Flood) প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি এবং ভয়াবহতার দৃশ্য আড়াল করতে চিন সরকারের তরফে বন্যা-সংক্রান্ত খবর ও ভিডিয়ো সেন্সর করা হচ্ছে। সমাজ মাধ্যম থেকে মুছে ফেলা হচ্ছে, তিব্বতের স্থানীয় বাসিন্দাদের পোস্ট করা ছবি ও ভিডিয়ো (nepal floods)।
nepal floods: বিদেশি সাংবাদিকদের খবর করতে বাধা
দুর্যোগ মোকাবিলায় চিনের ভূমিকা প্রশ্ন চিহ্নের মুখে পড়ছে। নেপালের সাংবাদিকরা ঘটনাস্থল থেকে প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ ও ছবি সংগ্রহ করছেন এবং নেপাল সরকারও চলমান পরিস্থিতির উপর বরাবর স্বচ্ছতা বজায় রেখে চলছে। আর এই পরিস্থিতিতে সীমান্তের ওপার অর্থাৎ চিন থেকে আসা তথ্য মূলত রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমের মাধ্যমেই পাওয়া যাচ্ছে। বিদেশী সাংবাদিকরা তিব্বত ভ্রমণ এবং এমনকি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলার ক্ষেত্রেও কঠোর নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হচ্ছেন (nepal floods)।
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিব্বতের এক স্থানীয়র কথায়, তাঁরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্যা ও ভূমিধসের ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন। সেই ভিডিয়োর মধ্যে তিব্বতের জিরং কাউন্টির একটি সীমান্তের ধ্বংসাবশেষের ছবিও ছিল। ওই স্থানীয়র দাবি, এই ভিডিয়োটি চিনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
ত্রাণ ও উদ্ধারকাজেই মন দিয়েছে চিন
হিমালয়ের এই বিপর্যয়ে ক্ষয়ক্ষতির বিশালতা বিশ্বকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে। ঠিক সেই সময়ে চিনের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠল। চিনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম গুলির দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে চিনা সেনা ও ত্রাণকর্মীরা পৌঁছে গিয়েছেন। উদ্ধার অভিযানের জন্য হেলিকপ্টার ও ড্রোনের ব্যবহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পিপলস ডেইলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জিরং জানিয়েছেন,বন্যা-আক্রান্ত মানুষদের জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার জন্য প্রস্তুত তারা।













1 thought on “নেপালে বন্যার তথ্য গোপনের চেষ্টা চিনের? তিব্বতের স্থানীয়দের পোস্ট মুছে ফেলছে চিন!”
Comments are closed.