নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন বালেন শাহ। তারপর থেকেই প্রতিবেশী দেশের বদলাচ্ছে নানা নিয়ম। ভারতের সঙ্গেও সম্পর্ক কিছুটা আলগা হয়েছে। সম্প্রতি ভারত নিয়ে বেশকিছু একগুচ্ছ নিয়ম আরোপ করেছেন বালেন শাহের সরকার। সাধারণত আগে নেপালে (Nepal Goverment) ভারতীয়রা ঘুরতে গেলে তাদের নাগরিকত্ব প্রমাণ করার জন্য বিশেষ কোনও প্রমাণপত্র বাধ্যতামূলক ছিল না। ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণের যেকোনও ডকুমেন্টস দেখালেই প্রবেশের অনুমতি মিলত। কিন্তু এখন নিয়মের অনেকটাই বদল এসেছে। সেক্ষেত্রে নেপালে প্রবেশের ক্ষেত্রে আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড দেখানো বাধ্যতামূলক। ভারতীয়রা নেপালে প্রবেশ করতে গেলে তাদের এই পরিচয়পত্র দেখাতেই হবে। একইভাবে নেপাল থেকে যারা ভারতে প্রবেশ করবেন তাঁদেরকেও পরিচয় পত্র সঙ্গে রাখতে হবে।
নেপালের বেশকিছু সংবাদমাধ্যম মারফত জানা গিয়েছে, মূলত অবৈধ অনুপ্রবেশের আশঙ্কায় ভারতীয়দের নেপালে প্রবেশের ক্ষেত্রে বৈধ পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। গতকাল অর্থাৎ শনিবার, নেপালের প্রশাসন এই নতুন নিয়ম কার্যকর করতেই গোটা দিন জোগবানিতে ভারত-নেপাল সীমান্তে দেখা গিয়েছিল চরম বিশৃঙ্খলা। পরিচয়পত্র কড়াকড়িভাবে পরীক্ষা করার ফলে সীমান্তে যানবাহন থেকে শুরু করে পথচারীদের দীর্ঘ লাইন পড়ে। কলকাতা থেকে যাওয়ার ট্রেন জোগবানি স্টেশনে পৌঁছতেই বিপুল সংখ্যক যাত্রী নেপালে যাওয়ার জন্য ভিড় জমিয়েছিলেন। পরবর্তীতে নেপালের পুলিশ কর্মীরা পরিচয়পত্র পরীক্ষা করে তবেই প্রত্যেককে নেপালে প্রবেশের অনুমতি দেন।
এদিন, ভারত থেকে নেপালের উদ্দেশ্যে যাওয়া যেসব ব্যক্তিরা নিজেদের পরিচয়পত্র দেখাতে পারেননি তাঁদের সীমান্ত থেকেই আবার ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে, নেপালের প্রধান জেলা ম্যাজিস্ট্রেট যুবরাজ কাটিল জানিয়েছেন, সীমান্ত পার হতে হলে পরিচয়পত্র দেখানো বাধ্যতামূলক। সেক্ষেত্রে, ভারত সরকারের তরফে দেওয়া আধার কার্ড, ভোটার কার্ড বা অন্য যেকোনও গুরুত্বপূর্ণ নথি দেখালেই নেপালে প্রবেশের সুযোগ পাবেন ভারতীয়রা। একই নিয়ম কার্যকর হবে নেপাল থেকে ভারতে আসা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও।










