রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

Kanthi Municipalty: বিজেপির বিক্ষোভে উত্তাল কাঁথি পুরসভা, উন্নয়ন বৈঠকে পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সৌমেন্দু

Kanthi Municipalty
---Advertisement---

রাজ্যে পালাবদল। বাংলার মসনদে বসেছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Kanthi Municipalty)। এবার মুখ্যমন্ত্রীরই জেলায় দেখা গেল বিক্ষোভের ছবি। কাঁথি পুরসভায় সোমবার দুপুর ১২টা থেকে বিজেপির পক্ষ থেকে তুমুল বিক্ষোভ দেখানো হয়। বিজেপির অভিযোগ, পুরবাসীরা দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। “ছাপ্পা মেরে জেতা কাউন্সিলররা লুটের রাজ চালাচ্ছেন”—এই অভিযোগ তুলে পুর বোর্ডের বিরুদ্ধে সরব হন বিজেপি নেতা-কর্মীরা।

সৌমেন্দু অধিকারী, কাউন্সিলর তাপস দোলই ও সুশীল দাসের নেতৃত্বে পুর আধিকারিকদের নিয়ে একটি উন্নয়নমূলক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেখানে পুর এলাকার নাগরিকদের কীভাবে উন্নত পরিষেবা দেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়। বিজেপির দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই পুর এলাকার উন্নয়নের জন্য মুখ্যমন্ত্রী তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দের আশ্বাস দিয়েছেন, যাতে সাধারণ মানুষ সুষ্ঠু পরিষেবা পান। বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে বিজেপি কাউন্সিলর ও কর্মীরা স্লোগান তোলেন, “পুরসভা চালাতে না পারলে গদি ছাড়ুন।”

এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘর তথা কাঁথি পুরসভা চত্বরে ছিল বাড়তি উন্মাদনা। বিজেপির দাবি, ২০২০ সালে নানা অপমান ও রাজনৈতিক চাপে সৌমেন্দু অধিকারীকে এই পুরসভা ছাড়তে হয়েছিল। বর্তমানে সাংসদ হিসেবে তাঁর পুরসভায় আগমনকে ঘিরে পৌরসভার দরজা-জানালার পর্দা গেরুয়া-সাদা রঙে সাজানো হয় এবং ফুল দিয়ে সাজানো হয় গোটা চত্বর।

বিজেপির দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক কাউন্সিলর ইতিমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে বা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এলাকা তথা কাঁথি পুরসভায়।

বিজেপির আরও দাবি, ২০২০ সালে নানা অপমান ও রাজনৈতিক চাপে সৌমেন্দু অধিকারীকে এই পুরসভা ছাড়তে হয়েছিল। বর্তমানে সাংসদ হিসেবে তাঁর পুরসভায় আগমনকে ঘিরে পুরসভার দরজা-জানালার পর্দা গেরুয়া-সাদা রঙে সাজানো হয় এবং ফুল দিয়ে সজ্জিত করা হয় গোটা চত্বর।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment