ফলতার পুনর্নির্বাচন ঘিরে যখন রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে, ঠিক সেই সময়েই বড়সড় চমক দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জাহাঙ্গির খান (Jahangir Khan)। নির্বাচনী প্রচারের শেষে নির্বাচন থেকে সরে আসার ঘোষণা করলেন তিনি। আর এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক জল্পনা। ফলতা কেন্দ্রের ভোটের অঙ্কে এই সিদ্ধান্ত যে বড় প্রভাব ফেলতে চলেছে তা এখনই স্পষ্ট বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
২১ মে পুনর্নির্বাচনের আগে জাহাঙ্গির খানের (Jahangir Khan) এই সরে দাঁড়ানো কার্যত গোটা নির্বাচনী লড়াইকেই নতুন মোড়ে এনে ফেলেছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে রীতিমত চর্চাও শুরু হয়েছে। কারণ, ফলতা কেন্দ্রের ভোটে জাহাঙ্গির খানকে ঘিরে একটি বড় অংশের সমর্থন তৈরি হয়েছিল বলে দাবি স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।
নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে (Jahangir Khan) জাহাঙ্গির খান বলেন, “সোনার ফলতা হোক এটাই আমার স্বপ্ন ছিল। সম্মানীয় মুখ্যমন্ত্রী ফলতার উন্নয়নের জন্য যে স্পেশাল প্যাকেজ দিচ্ছে, সেই জন্য আমি আগামী ২১ মে যে পুনর্নির্বাচন রয়েছে, সেই নির্বাচন থেকে আমি নিজেকে দূরে সরিয়ে নিলাম।”
‘আমি যাব না’, একটি ওয়ার্ডকে ব্রাত্য রেখে ভবানীপুর থেকে উন্নয়নের বার্তা শুভেন্দুর: Jahangir Khan: ‘ঝুঁকে গেল পুষ্পা’, ফলতায় ভোটের আগে সরে দাঁড়ালেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানজাহাঙ্গিরের এই বক্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে—এ কি শুধুই উন্নয়নের স্বার্থে নেওয়া সিদ্ধান্ত, নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে আরও বড় কোনও রাজনৈতিক সমঝোতা? কারণ, ভোটের মুখে কোনও প্রার্থীর হঠাৎ সরে দাঁড়ানো সাধারণ ঘটনা নয়। বিশেষ করে এমন এক কেন্দ্রে, যেখানে প্রতিটি ভোট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর পাশাপাশি (Jahangir Khan) জাহাঙ্গির খানকে শুরু থেকেই ম্যান মার্কিং করেছিল নির্বাচন কমিশন। বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মা জাহাঙ্গিরের বাড়ির সামনে গিয়ে শাসিয়ে এসেছিলেন। এর পর জাহাঙ্গির পাল্টা মুখ খুলে নিজেকে পুষ্পা বলে দাবি করেছিলেন, জানিয়েছিলেন তিনি ঝুঁকবেন না।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, জাহাঙ্গির খানের সিদ্ধান্তে অনেকেই অবাক। অনেকেই মনে করছেন, তাঁর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা এবং এলাকায় দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ভোটের ফলাফলে বড় ভূমিকা নিতে পারত। ফলে তাঁর সরে দাঁড়ানোয় ভোটের মেরুকরণ কোন দিকে যায়, এখন সেটাই দেখার।
অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, জাহাঙ্গির খান (Jahangir Khan) এর এই সিদ্ধান্ত উন্নয়ন ও “স্পেশাল প্যাকেজ”-এর বার্তা , বাস্তবে এর প্রভাব কতটা পড়বে, তা বোঝা যাবে ২১ মে-র ভোটেই।
উল্লেখ্য, ৪ মে-র পর থেকে জাহাঙ্গিরকে রাস্তায় দেখা যায়নি। কয়েকদিন আগে তিনি সামনে আসেন, প্রচার করেন, বিভিন্ন জায়গায় সাক্ষাৎকার দেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠবৃত্তে ছিলেন জাহাঙ্গির। এই পরিস্থিতিতে তাঁর সরে আসা নিঃসন্দেহে সবচেয়ে বড় চমক হয়ে উঠেছে।










1 thought on “Jahangir Khan: ‘ঝুঁকে গেল পুষ্পা’, ফলতায় ভোটের আগে সরে দাঁড়ালেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান”