[ছবি:এক্স]
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচকে অনেকেই ‘সান্ত্বনা পুরস্কারের লড়াই’ বলেন। কিন্তু ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে (England vs France) ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স সেই ম্যাচকেই বানিয়ে দিল রোমাঞ্চের মহারণ। কয়েক দিন আগে যদি এই ফুটবলটাই খেলত ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স, তবে হয়তো তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ নয়, বিশ্বকাপের ফাইনালেই মুখোমুখি হতো দুই ইউরোপীয় শক্তি। ম্যাচে ১০ গোল, সাকার হ্যাটট্রিক, এমবাপের জোড়া গোল ও একাধিক রেকর্ড—সব মিলিয়ে মায়ামিতে দেখা গেল বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। ফুটবলপ্রেমীরা পেলেন টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ম্যাচ।
Hat-trick secured for Bukayo Saka! 🎩#FIFAWorldCup pic.twitter.com/xrnPdte3bx
— FIFA World Cup (@FIFAWorldCup) July 18, 2026
মায়ামিতে অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী (England vs France) ম্যাচে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতল ইংল্যান্ড। ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এটাই ইংল্যান্ডের সেরা বিশ্বকাপ সাফল্য। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে টমাস টুচেলের ছেলেরা। প্রথমার্ধেই ম্যাচের ভিত গড়ে দেয় থ্রি লায়ন্সরা। তৃতীয় মিনিটে ডেকলান রাইস গোল করে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন। ১৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান এজরি কনসা। এরপর শুরু হয় বুকায়ো সাকার ম্যাজিক। ৩৭ ও প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে পরপর দু’টি গোল করে দলকে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন আর্সেনাল তারকা।
Congratulations to @England, third place at @FIFAWorldCup 2026! 🥉
— FIFA (@FIFAcom) July 19, 2026
Their best finish since winning the tournament in 1966 👏 pic.twitter.com/QeN8rqwFN4
🌎🇫🇷 BREAKING: Kylian Mbappé is World Cup top scorer EVER with 22 goals! 💥 pic.twitter.com/C24M21BxG7
— Fabrizio Romano (@FabrizioRomano) July 18, 2026
দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় (England vs France) ম্যাচের চিত্র। বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ানোর মরিয়া চেষ্টা করে ফ্রান্স। ৪৮ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপে প্রথম গোল করে প্রত্যাবর্তনের সূচনা করেন। ৫৪ মিনিটে ব্র্যাডলি বারকোলা ব্যবধান কমান। ৬৬ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে এমবাপে স্কোরলাইন ৪-৩ করেন। তবে ইংল্যান্ড ভেঙে পড়েনি। ৮৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সাকা। অতিরিক্ত সময়ে ওসমান দেম্বেলে ফ্রান্সের চতুর্থ গোল করলেও ৯০+৮ মিনিটে জুড বেলিংহ্যামের গোলে ৬-৪ জয় নিশ্চিত হয় ইংল্যান্ডের।
💥🇫🇷 OFFICIAL: Michael Olise BEATS Pelé record for assists in a single World Cup campaign.
— Fabrizio Romano (@FabrizioRomano) July 18, 2026
7 assists delivered in 2026 World Cup. 🪄 pic.twitter.com/gD9vuNkkW7
(England vs France) এই ম্যাচে একাধিক রেকর্ডও তৈরি হয়েছে। সাকা বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে হ্যাটট্রিক করা চতুর্থ ফুটবলার। এমবাপে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপে নিজের মোট গোলসংখ্যা ২২-এ পৌঁছে লিওনেল মেসিকে (২১) টপকে প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন। একই সঙ্গে ১০ গোল করে নিশ্চিত করেন গোল্ডেন বুটও।
Aujourd’hui est ta dernière danse.
— Kylian Mbappé (@KMbappe) July 18, 2026
Toi qui nous as tant donné.
Nous aurions dû t’offrir une meilleure fin, mais nous avons échoué.
Mettre des mots sur ce que tu as apporté pendant 14 ans est très difficile, tant tu as été un acteur majeur du renouveau de cette équipe. Les gens… pic.twitter.com/uGQIWqodgv
(England vs France) জুড বেলিংহ্যাম এক বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বাধিক সাত গোলের নজির গড়েন। ডেকলান রাইস বিশ্বকাপে প্রথম ২০ মিনিটের মধ্যে গোল ও অ্যাসিস্ট করা প্রথম ইংরেজ ফুটবলার হন। মাইকেল অলিসে সাতটি অ্যাসিস্ট করে গত ৬০ বছরের মধ্যে এক বিশ্বকাপে সর্বাধিক অ্যাসিস্টের রেকর্ডও নিজের নামে লেখান। এছাড়া ১৯৬৮ সালের পর প্রথমবার কোনও ম্যাচের প্রথমার্ধে চার গোল হজম করল ফ্রান্স। ১৪ বছরের অধ্যায়ের ইতি টেনে এটাই ছিল দিদিয়ে দেশঁর ফ্রান্স কোচ হিসেবে শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ। হারলেও ইতিহাস গড়লেন এমবাপে, আর জিতে বিশ্বকাপ অভিযান স্মরণীয় করে রাখল ইংল্যান্ড।
সব মিলিয়ে ১০ গোলের (England vs France) এই মহারণ বিশ্বকাপের অন্যতম স্মরণীয় ম্যাচ হিসেবেই জায়গা করে নিয়েছে।
ট্রফির সঙ্গে এবার ‘চ্যাম্পিয়ন রিং’, বিশ্বকাপে নতুন চমক FIFA-র











1 thought on “ফাইনালের আক্ষেপ ভুলিয়ে গোলের মহারণ; ১০ গোলের থ্রিলারে ইংল্যান্ডের বাজিমাত, হারলেও ইতিহাস এমবাপের”