রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

জারি হলো কমলা ও হলুদ সতর্কতা, দেশে ঢুকছে বর্ষা, ঘোষণা IMD

monsoon IMD
---Advertisement---

ভারতের মাটিতে ঢোকার নির্ধারিত দিন হিসেবে ১ জুনকেই নির্দিষ্ট করেছিলেন আবহবিদরা। তবে সেই তারিখের পরেই ভারতে বর্ষা ঢুকছে বলে জানাল মৌসম ভবন। ২০০৫ সাল থেকে ভারতে কবে বর্ষা ঢুকবে তার দিনক্ষণ জনিয়ে আসছে তারা। তবে প্রতিবছরই মৌসম ভবনের ঘোষণা করা নির্দিষ্ট দিন থেকে আরও ৪-৫ দিন পিছিয়ে যায়। এবারও তার কোনও ব্যতিক্রম হলো না। আগামী ৪ জুন কেরালা হয়ে ভারতে বর্ষা ঢুকবে বলে ঘোষণা করলেন আইএমডি-র (monsoon IMD) বিজ্ঞানী নীথা কে গোপাল।

তিনি বলেন, “বর্ষা আসার পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, তাই আমরা ৪ জুন বর্ষা ঢোকার কথা ঘোষণা করতে পারি। আজ সন্ধ্যা থেকেই আমরা ভালো পরিমাণে বৃষ্টিপাত দেখতে পাব। আগামী সাত দিন কেরালার সমস্ত অংশ ‘কমলা’ বা ‘হলুদ’ সতর্কতার অধীনে থাকবে, কারণ আমরা ভারী বর্ষণের প্রত্যাশা করছি। ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে আমাদের উদ্বিগ্ন হতে হবে। পাহাড়ি অঞ্চলগুলির জন্য বিধিনিষেধ সহ কমলা সতর্কতা জারি থাকবে।”

এ বছরে মৌসম ভবন তার প্রথম পূর্বাভাসে জানিয়েছিল বর্ষা ঢুকতে চলেছে ২৬ মে। সেই পূর্বাভাস মেলেনি। এর পরে তাঁরা জানান, বর্ষা প্রবেশের সম্ভাব্য তারিখ ২৮ মে। সেই পূর্বাভাসও মেলেনি। এর পরের সম্ভাব্য তারিখ ১ জুন দেওয়া হয়। কিন্তু, সোমবার রাত পর্যন্ত দেখা মেলেনি দক্ষিণ–পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর।

প্রতি বছর জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত এই মৌসুমী বায়ু ভারত মহাসাগর থেকে উষ্ণ, জলীয় বাষ্পপূর্ণ বাতাস নিয়ে আসে, যা দেশের অধিকাংশ অংশে বৃষ্টিপাত ঘটায়। এই বৃষ্টি কৃষি, জলাধার ভরাট এবং কোটি কোটি মানুষের জন্য গ্রীষ্মের তীব্র তাপপ্রবাহ থেকে স্বস্তি এনে দেয়।

আইএমডি-কে মৌসুমী বায়ুর আগমনের ঘোষণা করতে একইসঙ্গে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হয়। এর মধ্যে রয়েছে কেরলের কমপক্ষে ৬০% মনোনীত আবহাওয়া কেন্দ্রে একটানা বৃষ্টিপাত, আরব সাগরে নির্দিষ্ট গতিতে পশ্চিমী বায়ুপ্রবাহ এবং পর্যাপ্ত মেঘের উপস্থিতি। এই সব শর্ত মিলে গেলেই মৌসুমী বায়ুর ‘অফিসিয়াল’ আগমন নিশ্চিত হয়। মৌসুমী বায়ু এখন দরজায় কড়া নাড়ছে। সম্ভবত ৪ জুনেই কেরলে প্রবেশ করছে বর্ষা। এমনটাই জানিয়েছে মৌসম ভবন।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment