নিঠারি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত সুরিন্দ্রর কোলির মৃত্যু হলো হরিদ্বারে। শুক্রবার হরিদ্বারের একটি চায়ের দোকান থেকে তার দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ আত্মহত্যার কথা জানালেও, মৃত্যুর কারণ ও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে কোনও সুইসাইড নোট মেলেনি। (Surendra Koli)
হরিদ্বারে চায়ের দোকান চালাত
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে হরিদ্বারে ছিল কোলি। সে ভূপতওয়ালা এলাকায় ভাড়া নিয়ে একটি চায়ের দোকান চালাচ্ছিল। ওই দোকানেই তার দেহ পাওয়া যায়। সপ্তর্ষি পুলিশ ফাঁড়িতে খবর পৌঁছনোর পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। পরিবারের সদস্যদেরও খবর দেওয়া হয়েছে।
কী এই নিঠারি কাণ্ড?
২০০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে উত্তরপ্রদেশের নয়ডার নিঠারি এলাকায় একটি নর্দমার পাশে মানবদেহের হাড়, খুলি ও পোশাক উদ্ধার হয়। এলাকায় বেশ কিছু শিশু ও তরুণী নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগও সামনে এসেছিল। তদন্তে নয়ডার সেক্টর ৩১-এর ডি-৫ বাড়ির নাম উঠে আসে। বাড়িটির মালিক ছিলেন ব্যবসায়ী মনিন্দর সিং পন্ধের। কোলি সেখানে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। (Surendra Koli)
এরপর কোলি ও পন্ধেরকে গ্রেফতার করা হয়। ধর্ষণ, খুন এবং প্রমাণ নষ্ট করার মতো একাধিক অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ২০০৭ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে সিবিআই মোট ১৯টি মামলা দায়ের করে। বিভিন্ন মামলায় কোলিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পন্ধেরও কয়েকটি মামলায় সাজা পেয়েছিলেন।
আদালতে একের পর এক খালাস
পরবর্তী সময়ে মামলার তদন্ত ও প্রমাণ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে এলাহাবাদ হাইকোর্ট প্রমাণের ঘাটতির কথা উল্লেখ করে কোলি ও পন্ধেরকে একাধিক মামলা থেকে খালাস দেয়। সেই রায়ের বিরুদ্ধে সিবিআই, উত্তরপ্রদেশ সরকার এবং নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হয়।
২০২৫ সালের জুলাইয়ে সুপ্রিম কোর্ট কোলি ও পন্ধেরের খালাস বহাল রাখে। এরপরও কোলির বিরুদ্ধে একটি মামলা বাকি ছিল। ২০২৫ সালের নভেম্বরে সেই মামলাতেও সুপ্রিম কোর্ট তাঁর সাজা বাতিল করে তাঁকে বেকসুর খালাস দেয়। আদালত জানায়, সন্দেহ যতই গুরুতর হোক, তা প্রমাণের বিকল্প হতে পারে না। (Surendra Koli)
আরও পড়ুন :- স্ত্রীর আব্দার, iPhone 18 Pro কিনতে সোনা বিক্রি ব্যক্তির











