রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

৫ মিনিটের গুগল মিট, ৮০ জন ভারতীয় কর্মীকে ছাঁটল মার্কিন সংস্থা

Published on: September 17, 2026
us company lays off
---Advertisement---

মাত্র ৫ মিনিটের একটি গুগল মিটে ভারতীয় কাস্টমার সার্ভিসের গোটা টিমকে ছাঁটাই করল মার্কিন সংস্থা। এই সিদ্ধান্তে একই সঙ্গে চাকরি হারালেন ৮০ জন কর্মী। সমাজমাধ্যমে এক কর্মীর পোস্টে এই বিষয়টি সামনে আসে (us company lays off)। ওই কর্মী লেখেন, “গুগল মিটে মিটিং করে আমাকে চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হলো।” পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি আরও লেখেন, “গতকাল পর্যন্ত আমি একটি মার্কিন ব্যাঙ্কের কাস্টমার সাপোর্ট টিমের সদস্য ছিলাম। কাজের প্রয়োজনে গতকাল আমাদের বাড়ি থেকে কাজ করতে বলা হয়েছিল। আমি সন্ধে ৬টা ৩০ মিনিটের শিফটে কাজ করছিলাম। রাত ৯টা ৩০ মিনিটের দিকে হঠাৎই আমাদের গুগল মিটে যুক্ত করা হয় এবং জানানো হয় যে, ভারতের পুরো কাস্টমার সার্ভিস টিমকেই ছাঁটাই করা হয়েছে।”

us company lays off: ছাঁটাইয়ের কারণ কী?

ওই ব্যক্তি আরও বলেন, “৮০ জন কর্মী চাকরি হারালেন (us company lays off)। মাত্র ৫ মিনিটের একটা ফোন কলে ৮০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হলো। এমন সব কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করার কথা ভেবে খারাপ লাগছে, যারা যেকোনও সময় আমাদের ছুঁড়ে ফেলে দিতে পারে। নিজের কঠোর পরিশ্রমের কথা ভেবেও এখন আফসোস হচ্ছে। তাছাড়া, নতুন চাকরি কীভাবে পাব, সেটাই বুঝতে পারছি না। বিষয়টা সত্যিই খুব খারাপ।”

তাঁর ওই পোস্টের তলায় অনেকেই উত্তর দিয়েছেন। একজন লিখেছেন, “দুঃখিত, বিষয়টি সত্যিই মর্মান্তিক। এই পদক্ষেপের পেছনে তারা কী কারণ দেখিয়েছিল?” এর জবাবে চাকরিহারা ওই ব্যক্তি বলেন, “তারা ভারতীয় টিমের কাছ থেকে প্রত্যাশিত ফলাফল পাচ্ছিল না। অথচ তাঁদের মার্কিন দলের কর্মীদের মধ্যে কাজের বাইরে সময় কাটানোর প্রবণতা ছিল সবচেয়ে বেশি। আর তাঁরা খুব কমই কাজ ঠিকঠাক করতে পারত। অন্যদিকে আমরা, চাকরির নিরাপত্তার খাতিরে সবসময়ই নিজেদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কাজ করতাম।”

চাকরিহারা ওই ব্যক্তির অভিযোগ, পূর্ব কোনও নোটিস বা সতর্কবার্তা ছাড়াই কর্মীদের এই মিটিংয়ে যোগ দিতে বলা হয়। মিটিং শুরু হওয়ার পর সংস্থার চিফ অপারেটিং অফিসার (COO) সকলের ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন বন্ধ করে দেন এবং জানান যে তারা ভারতীয় টিমে ছাঁটাই করা হলো।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now

Leave a Comment