রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

সমবায় সমিতি থেকে উধাও লাখ লাখ টাকায়, মাথায় হাত আমানতকারীদের

money scam
---Advertisement---

কৃষি প্রধান এলাকা। তাই গ্রামের সমবায় সমিতিতে নিজেদের জমানো লক্ষ লক্ষ অর্থ গচ্ছিত রেখেছিলেন আমানতকারীরা। প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে সেই টাকা তাঁদের সাহায্য করত। এবার সেই অর্থ না পেয়েই চরম দুশ্চিন্তায় আমানতকারীরা। অভিযোগ ফিক্সড ডিপোজিটের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও মিলছে না টাকা। এই ছবি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা ১ নম্বর ব্লকের হিজলি-হিরোধরপুর সমবায় সমিতির (money scam)।

সূত্রের খবর, কেউ রেখেছিলেন ১ লক্ষ কেউ রেখেছিলেন ৯ লক্ষ কেউ ৫০ হাজার, কেউ সেভিংস অ্যাকাউন্ট, কেউ ফিক্সড ডিপোজিট করেছিলেন। অভিযোগ, মেয়াদ শেষ হলেও মেলেনি টাকা। টাকা না পেয়ে চোখে জল আমানতকারীদের। ভেবেছিলেন, হয়ত প্রশাসনের দ্বারস্থ হলে কোনও না কোনও সুরাহা মিলবে, কিন্তু তা আর হলো না। নিজেদের হকের টাকা ফিরে পেতে প্রশাসনের দুয়ারে ঘুরে ঘুরে জুতোর সুখতলা খসতে বসেছে। তবুও পাননি টাকা। হয়রানির শিকার হচ্ছেন তাঁরা।

আমানতকারীরা সমবায় সমিতির মধ্যে দুর্নীতির গন্ধ পাচ্ছেন। সমবায় সমিতির ম্যানেজার থেকে শুরু করে সেক্রেটারির উদাসীনতা ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। এক আমানতকারীর কথায়, “সমবায় সমিতির সম্পাদক ও ম্যানেজার অনেক দুর্নীতি করেছে। এরাই দুর্নীতির আঁতুর ঘর তৈরি করে সকলকে আশ্রয় দিয়েছে। আমরা দেড় বছর ধরে টাকা পাচ্ছি না। ম্যানেজারের কোনও পাত্তা নেই।”

আমানতকারী এক মহিলার কথায়, “নিজেরা টাকা জমিয়েও সেই টাকা পাচ্ছেন না। এবার টাকা না পেলে বিষ খেতে হবে। জীবনের সব সঞ্চিত অর্থ এখানে জমা। ২ বছর ধরে যাচ্ছি-আসছি।”

নিজেদের জমানো টাকা ফেরত দিতে পারছে না সমবায়-সমিতি। চরম ক্ষোভে ও আতঙ্ক নিয়ে দিন কাটাচ্ছে অসহায় পরিবারগুলির। কেউ বলছেন জমানো টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছে না, কেউ বলছেন সংসার চালাতে পারছেন না টাকার অভাবে, কেউ আবার টাকার অভাবে কৃষিজমি বন্ধক রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। কবে নিজেদের প্রাপ্য টাকা মিলবে উত্তর নেই কারও কাছে।

তবে সমবায় সমিতির ম্যানেজার আনন্দময় মণ্ডল অবশ্য ব্যাঙ্কের দিকেই আঙ্গুল তুলেছেন, “তাঁর দাবি তাঁরা যে ব্যাঙ্কে টাকা জমা রেখেছিলেন সেই টাকাই মেলেনি। তবে দুইজনে মিলে সমস্ত সমাধানে চেষ্টা করছেন তাঁরা।”

কিন্তু সেই টাকা যে কবে ফিরে পাবেন আমানতকরীরা, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। তাঁরা বর্তমান সরকারের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। যদি এই সরকার কোনও ব্যবস্থা নেন।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment