দীর্ঘদিন পর ফের ব্যস্ততা বাড়ছে রাইটার্স বিল্ডিংয়ে। একসময় যে ভবন থেকেই রাজ্যের প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো, সেখানে আবার মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের বসার ব্যবস্থা তৈরি হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। এবার রাইটার্সের তিনতলায় মুখ্যমন্ত্রী-সহ অন্তত ছয় মন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ চলছে। ১০ অক্টোবরের মধ্যে নিজেদের হাতে থাকা অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে চাইছে পূর্ত দফতর। রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কার নিয়ে শনিবার বিশেষ বৈঠকও করেন রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার। (Writers Building)
কারা বসবেন রাইটার্সে?
পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, তিনতলায় মুখ্যমন্ত্রী-সহ ছয় মন্ত্রীর বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেখানে পূর্তমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ, পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দারের ঘর থাকবে। এছাড়াও মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকদের জন্যও ঘর তৈরি করা হচ্ছে। তবে এখনই রাইটার্সের ক্যাবিনেট রুম এবং রোটান্ডার কাজ শুরু হচ্ছে না। এই দুই জায়গার সংস্কার আপাতত স্থগিত রাখা হচ্ছে। (Writers Building)
সংস্কারে আদানি গোষ্ঠী
রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সামগ্রিক সংস্কারের দায়িত্ব আদানি গোষ্ঠীর হাতে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কীভাবে কাজ হবে, তা নিয়ে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনার পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য। সংস্কারের জন্য প্রাক্তন হেরিটেজ কমিশনের সদস্য এবং স্থপতি রঞ্জন মিত্রকে দায়িত্ব দিয়েছে আদানি গোষ্ঠী। ইতিমধ্যেই তিনি রাইটার্স বিল্ডিং পরিদর্শন করেছেন।
ঐতিহ্য রক্ষাই বড় চ্যালেঞ্জ
পূর্ত দফতরের দাবি, আগের সংস্কারের সময় ইউরোপীয় টালি-সহ রাইটার্সের বেশ কিছু ঐতিহাসিক জিনিস নষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গিয়েছে। এবার পুরনো ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখে সংস্কার করাই বড় চ্যালেঞ্জ।
২০১৩ সালে রাজ্যের সচিবালয় নবান্নে সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর প্রায় ১৩ বছর কেটে গেলেও রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কারের ৫০ শতাংশ কাজও শেষ হয়নি বলে দাবি। এবার অসম্পূর্ণ কাজ দ্রুত শেষ করে ধাপে ধাপে গোটা ভবন সংস্কারের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। (Writers Building)












The promotions here are actually worth it. I managed to win a decent amount thanks to the welcome bonus. Big thanks to br7788bet9.