উপনির্বাচন ঘিরে চরম নাটকীয়তা। মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের পর ইউ-র্টান মমতাপন্থী তৃণমূল প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরীর। তিনি স্পষ্ট জানান, তিনি আর মনোনয়ন প্রত্যাহার করছেন না। তিনি মুর্শিদাবাদের রেজিনগর কেন্দ্র থেকেই লড়াই করবেন। সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই তিনি নির্বাচনে লড়াই করবেন (rabiul alam chowdhury)।
rabiul alam chowdhury: হঠাৎ ইউ-র্টান
রবিউল জানান, তিনি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনিই নেত্রীর নির্দেশ ও অনুরোধেই তিনি প্রার্থিপদ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা দিদির দল করি, দিদির বাইরে তো আমরা কিছু করতে পারব না। তাই দিদির কথা মতোই আমি প্রার্থিপদ বহাল রাখছি।’’ পাশাপাশি তিনি এবং কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়ে পুলিশের কাছে দাবি করেন। তিনি বলেন, মাত্র ১০ জন কর্মী পাশে থাকলেও তিনি ভোট প্রচারে নামবেন (rabiul alam chowdhury)।
‘নাটকীয়’ উপনির্বাচন
শনিবার সকালেই রেজিনগর কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেন মমতাপন্থী তৃণমূল প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী। তখন তিনি বলেন, ‘‘দলের নতুন প্রতীক। এর ফলে কর্মীরা মাঠে নামতে চাইছে না। তাঁদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। উপনির্বাচনের আগে অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এইভাবে আমরা ভোটে লড়ব কী করে? সেই কারণেই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’
বেলা বাড়তেই ছবিটা সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি আরও বলেন, কীভাবে ভোটে লড়তে হয় তিনি জানেন। এর আগেও একাধিকবার ভোটে লড়েছেন। কর্মীরা ঠিক লড়াই বুঝে নেবে। আজ থেকে প্রচারে নামা হবে। দলের নেতারা প্রচারে আসবেন।
জোড়াফুল ফ্রিজ করার পর মমতার দল ‘ফুটবলার’ প্রতীক পেয়েছে। ঋতব্রতেরা পেয়েছেন খাম চিহ্ন। এরপরেই প্রার্থী ঘিরে তৈরি হয় চরম নাটকীয়তা। নন্দীগ্রামের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে জানান, তিনি নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে সমর্থন করবেন। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পুরনো একটি মামলায়, ওই কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে উপনির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েও ফের নির্বাচনের ময়দানে লড়াই করার কথা ঘোষণা করলেন রেজিনগরের প্রার্থী।












1 thought on “মত বদল রবিউল আলম চৌধুরীর, মমতার কথায় মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বদল”