ই-পেপার রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

দীর্ঘ নীরবতার পর বিস্ফোরক কেষ্ট, ‘I-PAC এসেছে, দল শেষ হয়েছে’

Anubrata Mondal
---Advertisement---

দীর্ঘ নীরবতার অবসান। নির্বাচনী ফল ঘোষণার পর প্রায় অন্তরালে চলে যাওয়া এককালে বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা (Anubrata Mondal) অনুব্রত মণ্ডল অবশেষে মুখ খুললেন। আর মুখ খুলেই দলের ভরাডুবির জন্য সরাসরি I-PAC-কে দায়ী করে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তিনি।

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হতাশাজনক ফলাফলের পর থেকেই কার্যত জনসমক্ষে দেখা যাচ্ছিল না (Anubrata Mondal) অনুব্রত মণ্ডলকে। দলীয় কর্মসূচি থেকে দূরে ছিলেন তিনি। এমনকি কলকাতার শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ ছিল না বলেই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই আবহেই বোলপুরের তৃণমূলের জেলা কার্যালয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে দীর্ঘদিনের নীরবতা ভাঙলেন ‘কেষ্ট’।

সাক্ষাৎকারে (Anubrata Mondal) অনুব্রত মণ্ডল দাবি করেন, দলের সাংগঠনিক শক্তিকে উপেক্ষা করে I-PAC এর উপর অতিরিক্ত নির্ভরতার ফলেই এই পরাজয় এসেছে। তাঁর কথায়, “I-PAC এসেছে, দল শেষ হয়েছে। সংগঠনের শক্তিতেই দল চলে। I-PAC দিয়ে দল চলে না।” শুধু তাই নয়, তাঁর অভিযোগ, I-PAC এর সঙ্গে বাস্তব রাজনৈতিক পরিস্থিতির কোনও সংযোগ ছিল না এবং সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও বাইরে পাচার হয়েছে।

নির্বাচনে তাঁকে কোনও দায়িত্ব না দেওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনুব্রত। (Anubrata Mondal) তাঁর দাবি, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও ভোটের সময় তাঁকে কার্যত নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়েছিল। ফলে সাংগঠনিক স্তরে যে সমস্যাগুলি তৈরি হচ্ছিল, তা মোকাবিলার সুযোগও তিনি পাননি।

৫ ঘণ্টার জেরাতেও মেলেনি সন্তোষজনক উত্তর, ফের ১৪ জুন তলব অভিষেককে

তবে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে সরাসরি কোনও ইঙ্গিত দেননি বীরভূমের এই বিতর্কিত নেতা। তিনি অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেবেন কি না, কিংবা তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে নেতৃত্বের ভূমিকায় দেখা যাবে কি না— সেই প্রশ্নের উত্তরে রহস্য বজায় রেখেছেন তিনি। (Anubrata Mondal) অনুব্রত বলেন, “সম্মান পেলে দল করব, না পেলে নীরব থাকব।”

একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে এখনও পর্যন্ত তাঁর পরিচয় তৃণমূলের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে। “তৃণমূলের ছাপ এখনও আমার গায়ে লেগে আছে। অন্য কোনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাবিনি,” বলেন তিনি। পাশাপাশি জানান, তিনি এখনও নিয়মিত বোলপুরের দলীয় কার্যালয়ে যান এবং সেটিকে ‘মন্দির’ বলেই মনে করেন।

নির্বাচনী পরাজয়ের পর প্রথমবার প্রকাশ্যে এসে অনুব্রত মণ্ডলের এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে আইপ্যাকের ভূমিকা, দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং তাঁর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। এখন দেখার, তাঁর এই বিস্ফোরক মন্তব্যের জবাবে তৃণমূল নেতৃত্ব বা আইপ্যাকের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া আসে কি না।

তিন লাল কার্ডে তছনছ উদ্বোধনী ম্যাচ, ৯ জনের দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে বিশ্বকাপ অভিযান মেক্সিকোর


Follow Hindustan News Point Channel on WhatsApp

Ishani Halder

ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলা ও ক্রিকেটের খবরের প্রতি আলাদা আগ্রহ ছিল। সেই আগ্রহ থেকেই সাংবাদিকতায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছি। মূলত খেলার খবর লিখতেই বেশি ভালো লাগে, পাশাপাশি রাজনীতি, ভাইরাল ও বিভিন্ন চলতি বিষয় নিয়েও খবর লিখতে বিশেষ আগ্রহী। খেলাধুলা দেখতে ও তার বিভিন্ন দিক নিয়ে জানতে ভালো লাগে। দ্রুত ও নির্ভুলভাবে তথ্য পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য। লেখালিখির পাশাপাশি বই পড়তে খুব ভালো লাগে এবং নতুন বিষয় জানতে সবসময় আগ্রহী।

Join WhatsApp Channel

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now