ভারতীয় টেবিল টেনিসে নতুন ইতিহাস গড়লেন বাংলার তরুণী সিন্ড্রেলা দাস। চলতি যুব এশিয়ান টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপের অনূর্ধ্ব-১৯ বিভাগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে তিনি ইতিমধ্যেই দুটি ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সাফল্য এসেছে মেয়েদের একক বিভাগে, যেখানে সেমিফাইনালে উঠে পদক নিশ্চিত করেছেন তিনি। (Syndrela Das)
কোয়ার্টার ফাইনালে সিন্ড্রেলা শক্তিশালী চিনা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে বড় চমক দেন। এশিয়ান টেবিল টেনিসে দীর্ঘদিন ধরেই চিনের খেলোয়াড়দের দাপট রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে চিনের এক শীর্ষস্থানীয় খেলোয়াড়কে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠা নিঃসন্দেহে বড় সাফল্য। শুক্রবার সেমিফাইনালে খেলবেন সিন্ড্রেলা। সেই ম্যাচ জিততে পারলে তাঁর রুপোর পদক নিশ্চিত হবে। আর ফাইনালে জয় পেলেই তিনি জিতবেন সোনার পদক। (Syndrela Das)
শুধু একক বিভাগেই নয়, অনূর্ধ্ব-১৯ মেয়েদের দ্বৈত বিভাগেও সেমিফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে সিন্ড্রেলার জুটি। ফলে এই ইভেন্টেও অন্তত ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত হয়েছে। অর্থাৎ একই আসরে দুটি পদক নিশ্চিত করে দেশের পাশাপাশি বাংলারও গর্ব বাড়িয়েছেন এই তরুণ প্রতিভা।
এই সাফল্যের মাধ্যমে বাংলার টেবিল টেনিসের ইতিহাসেও নতুন অধ্যায় যোগ হয়েছে। যুব এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের একক বিভাগে পদক জয়ী প্রথম বাঙালি খেলোয়াড় হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন সিন্ড্রেলা দাস। এর আগে ১৯৯৯ সালের যুব এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলার খেলোয়াড়রা পদক জিতেছিলেন ঠিকই, তবে তা ছিল দ্বৈত ও দলগত বিভাগে। সেই আসরে পৌলোমী ঘটক-মৌমা দাস জুটি এবং সৌম্যদীপ রায়-শুভজিৎ সাহা জুটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন। এরপর দীর্ঘ ২৬ বছর অপেক্ষার পর আবার এশিয়ার মঞ্চে বাংলার টেবিল টেনিসে এল বড় সাফল্য।
গত কয়েক বছরে জাতীয় পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে ভালো ফল করে সিন্ড্রেলা দাস নিজেকে দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় জুনিয়র টেবিল টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এবার এশিয়ার মঞ্চেও সেই প্রতিভার প্রমাণ দিলেন তিনি। ইতিহাস গড়ার পর এখন তাঁর সামনে আরও বড় লক্ষ্য—সেমিফাইনালে জিতে ফাইনালে ওঠা এবং শেষ পর্যন্ত এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের সোনার পদক জয় করা।(Syndrela Das)













Very interesting points you have mentioned, regards for posting.