বারুইপুরকাণ্ডের পর এবার কামদুনি মামলার ফাইলস খোলার আবেদন জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “কামদুনি মামলার তদন্তে পূর্বতন সরকার একাংশকে তোষণ করেছিল। ঠিক মতো তদন্ত হয়নি।”
তিনি (Shamik Bhattacharya) বলেন, “কোনও অপরাধী অপরাধ করে বাঁচতে পারবে না। এই ঘটনা সেটাই প্রমাণ করল। একই সঙ্গে রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, সেই ফাইল পুনরায় খোলার। কামদুনিকাণ্ডে যেভাবে পূর্বতন রাজ্য প্রশাসন তদন্ত করেছে এবং তাদের তোষণের জন্য এখনও বিচার পাননি নির্যাতিতা। সেই সময় ধৃতকে আদালতে বেকসুর খালাস করে দেওয়া হয়েছিল। এই ফাইল আবার ওপেন করার আবেদন জানাচ্ছি।”
বারুইপুরে (Shamik Bhattacharya) ‘এনকাউন্টার’ প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারকে তোপ দেগেছে তৃণমূল। তাদের বক্তব্য,প্রধান অভিযুক্তকে আড়াল করতেই নাকি এই ‘এনকাউন্টার’। যদিও তৃণমূলের এই কটাক্ষের পাল্টা জবাব দিতে ছাড়েননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “রাজ্য সরকার তার নিজের কাজ করবে। ক্ষমতায় আসার আগে আমাদের দলের যে সংকল্পপত্র ছিল, সরকার সবটাই পূরণ করবে। গণতান্ত্রিক দেশে প্রত্যেকেই নিজের মতামত রাখতে পারে। মানুষ তৃণমূলকে চেনে। মানুষ কামদুনির ঘটনা দেখেছে। মানুষ নদিয়ার ঘটনা দেখেছে। দীর্ঘ ১৫ বছরের অপশাসন সাধারণ মানুষ দেখেছে। এখন তৃণমূল নির্মূল হয়ে গেছে। তৃণমূলের কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই। তারপরেও তাঁরা যদি বলতে চান বলতে পারেন। সমাজ তাদের গ্রহণ করবে না।”
বারুইপুরকাণ্ডের রুদ্ধশ্বাস পরিণতি দেখল বাংলা। নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে ধৃত অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে ‘এনকাউন্টার’ করল পুলিশ। গতকাল রাতে অভিযুক্তকে নিয়ে পুনর্নির্মাণের জন্য অকুস্থলে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের হাত থেকে বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে, এক রাউন্ড গুলি চালায় ধৃত। এরপর পুলিশ পাল্টা গুলি চালাতে গুলিবিদ্ধ হয় প্রভাস। ওই অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাজ্য সরকারের কাছে কামদুনিকাণ্ডের ফাইল পুনরায় খোলার আবেদন জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
“ও অন্যায় করেছে, গুলি খেয়েছে”, প্রভাসের মৃত্যুতে তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য স্ত্রীর









