আগামীদিনে ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ কী? লিগের দায়িত্ব কার হাতে থাকবে? কেমন হবে আগামীদিনে ভারতীয় ফুটবলের কাঠামো? এই নিয়েই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করল অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (AIFF) এবং ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (ISL)-এর ক্লাবগুলি। বুধবার নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক বৈঠকে জানানো হলো, আগামী দিনে ISL-এর বাণিজ্যিক অধিকার থাকবে ক্লাবগুলির হাতে। তবে প্রতিযোগিতার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ও তদারকির দায়িত্ব থাকবে AIFF-এর কাছেই (ISL)।
সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন AIFF-এর ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল এম সত্যনারায়ণ, হেড অফ কম্পিটিশনস অক্ষয় রোহাতগি, এফসি গোয়ার সিইও রবি পুস্কুর, নর্থইস্ট ইউনাইটেডের সিইও মন্দার তামহানে এবং স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লির সিইও ধ্রুব সুদ (ISL)।
AIFF-এর ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল এম সত্যনারায়ণ বলেন, “আমরা আইএসএলকে এশিয়ার অন্যতম সেরা লিগ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ এবং নতুন ন্যাশনাল স্পোর্টস গভর্ন্যান্স অ্যাক্ট মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” সত্যনারায়ণ আরও দাবি করেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সফল লিগের মতোই ভারতও ধীরে ধীরে ক্লাব-নেতৃত্বাধীন বাণিজ্যিক মডেলের দিকে এগোচ্ছে।
আগামীদিনে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে সেই নিয়েও এদিন আলোচনা করা হয়েছে। ক্লাবগুলির পরিচালন কমিটি সম্প্রচার ও স্পনসর সংগ্রহের জন্য রিকোয়েস্ট ফর প্রোপোজাল (RFP) আহ্বান করবে। AIFF-এর ১৪টি ক্লাবকে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য চিঠি পাঠাবে। ২০২৬-২৭ মরশুম পূর্ণ হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ফরম্যাটে আয়োজন করা হবে। ফলে প্রতিটি দল নিজেদের মাঠে এবং প্রতিপক্ষের মাঠে নির্ধারিত সব ম্যাচ খেলবে।
জাতীয় দলের স্বার্থে ফুটবলার ছাড়ার বিষয়েও ক্লাবগুলির সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন AIFF কর্তারা। FIFA-র আন্তর্জাতিক উইন্ডো এবং এএফসি ক্লাব প্রতিযোগিতার সূচি মাথায় রেখেই লিগের ক্যালেন্ডার তৈরি করা হবে।
এদিন ভারতীয় স্ট্রাইকার তৈরির প্রসঙ্গেও মুখ খোলে AIFF। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় দলের অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে মানসম্পন্ন গোলদাতার অভাবের কথা তুলে ধরেন সত্যনারায়ণ। তবে বাধ্যতামূলকভাবে ভারতীয় ‘নম্বর নাইন’ খেলানোর কোনও নিয়ম আনার পক্ষে নয় ফেডারেশন।
AIFF-এর বক্তব্য, কোন ম্যাচে কী কৌশল নেওয়া হবে, কাকে খেলানো হবে, তা সম্পূর্ণভাবে কোচের সিদ্ধান্ত। কোনও ম্যাচে জয়ের জন্য ঝুঁকি নিতে হতে পারে, আবার কোনও ম্যাচে ড্র-ই লক্ষ্য হতে পারে। তাই সব দলের উপর একই নিয়ম চাপিয়ে দেওয়া বাস্তবসম্মত নয়। পাশাপাশি ফেডারেশন স্পষ্ট জানিয়েছে, ভারতীয় স্ট্রাইকার তৈরিকে তারা অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছে। ক্লাবগুলিও এই প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছে বলে AIFF-এর বিশ্বাস।
বিশ্বকাপ ফাইনালের জন্য পিছিয়ে গেল পরীক্ষা, ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্তে নজির সাউথ পয়েন্ট হাই স্কুলের










