সরকারি ইঞ্জিনিয়ার মুত্যম ভেঙ্কট রমনা। ২০১৯ সালে তেলঙ্গানার দুর্নীতি দমন শাখা (ACB)-র হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন। এবার তাঁর সম্পত্তির হিসেব দেখে চোখ কপালে উঠেছে তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের। প্রায় ১৫০ কোটি টাকার আয় বর্হিভূত সম্পত্তির হদিস মিলল তাঁর নামে। এছাড়াও তাঁর বহু বেনামী ফ্ল্যাট ও বাড়ির হদিসও মিলেছে (telangana engineer arrested)।
telangana engineer arrested: কোথা থেকে এল এত সম্পত্তি?
তেলেঙ্গানার দুর্নীতি দমন ব্যুরো বুধবার জানিয়েছে, রেডকো (REDCO)-র একজন ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে তল্লাশি চালিয়ে ১০০ থেকে ১৫০ কোটি টাকার আয় বর্হিভূত সম্পত্তির হদিস মিলেছে। শুধু তাই নয়, ইঞ্জিনিয়ারের বিভিন্ন ঠিকানা থেকে প্রায় ২.০৯৪ কেজি সোনা (যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৪ কোটি টাকা) এবং ৫২.০২ লক্ষ টাকার ব্যাঙ্ক আমানত উদ্ধার করেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।
সূত্রের খবর, হায়দ্রাবাদে তাঁর নামে দুইটি জায়গা সেরিলিঙ্গমপল্লি এবং কুকটপল্লিতে ৪টি বিলাসবহুল আবাসিক ও দুইটি বাড়ির হদিশও মিলেছে। এমনকি, ব্যবসায়ীক ভবনেরও হদিস মিলেছে। দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত ইঞ্জিনিয়ার এম ভেঙ্কট রমনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে এসিবি (ACB)। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি চাকরিরত অবস্থায় বিভিন্ন দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই দুর্নীতির আয়েই এই বিপুল সম্পত্তি তৈরি করেছিলেন তিনি। তাঁর বাড়ি ও আবাসনের পাশাপাশি তাঁর অফিস ও আত্মীয়,পরিজনদের বাড়ি সহ মোট ২৭টি জায়গায় তল্লাশি চালায় এসিবি (ACB)।
দুর্নীতি দমন শাখা এসিবি (ACB)-র তরফে জানানো হয়েছে, এই অপরাধ ‘প্রিভেনশন অফ কোরাপশন অ্যাক্ট, ১৯৮৮’ (২০১৮ সালে সংশোধিত)-এর আওতায় পড়ছে। সেই কারণে বুধবার তাঁর বাসভবন, অফিস এবং তাঁর আত্মীয় ও সহযোগী-দের বাড়িতেও প্রাথমিকভাবে তল্লাশি চালানো হয়েছে।
তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত ভেঙ্কট রমনা তাঁর স্ত্রীর নামে ৪টি নির্মাণ সংস্থায় বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন। হায়দ্রাবাদের আঞ্জনিয়া নগর ও মুসাপেটে তাঁর ১০টি আবাসিক নির্মাণ করছিলেন অভিযুক্ত। সেখানে প্রায় ২০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান।
তদন্তকারী আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, সম্পত্তিগুলির বাজারমূল্য অনেক বেশি। রিয়েল এস্টেট সংক্রান্ত হিসাব অনুযায়ী এই সম্পদগুলির মোট মূল্য ১০০ থেকে ১৫০ কোটি টাকার মধ্যে।












1 thought on “অ্যাকাউন্ট খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ! ১৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি সরকারি ইঞ্জিনিয়ারের”