সাতসকালে বিকট শব্দে কেঁপে উঠল পুলিশ ফাঁড়ি। একের পর এক বিস্ফোরণ। কালো ধোঁয়ায় ভরে যায় গোটা এলাকা। প্রথমে বোঝা না গেলেও পরে সকলে বুঝতে পারেন। পুলিশ ফাঁড়ির দিক থেকেই আসছে বিস্ফোরণের শব্দ। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের নীলগঞ্জ (Nilgunj, Barast) পুলিশ ফাঁড়ির ঘটনা (illegal firecrackers)।
illegal firecrackers: কী কারণে বিস্ফোরণ?
পুলিশ সূত্রে খবর, মজুত থাকা বাজিতে আগুন লেগেই এই বিস্ফোরণ বলে জানা গিয়েছে। গত, ২-৩ দিন আগে এলাকা থেকে বেআইনি বাজি উদ্ধার করে ফাঁড়িতেই রাখা হয়েছিল। হঠাৎই মঙ্গলবার ভোর রাতে সেই বাজিতে আগুন লেগে যায়। তার ফলেই পরপর বিস্ফোরণ হতে থাকে। কানে আসে বিকট শব্দ। আগুন জ্বলে ওঠে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ইঞ্জিন।
একসঙ্গে এতো বাজি রাখা হলো কেন?
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই বাজি উদ্ধারের কাজে অভিযান চালিয়েছিল নীলগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ। ফাঁড়ির ভিতরেই উদ্ধার করা বাজি মজুত রাখা হয়েছিল। এখন প্রশ্ন উঠছে, বাজি উদ্ধার করার পর নিরাপদ জায়গায় সেগুলি রাখা হয়নি কেন? বসতিপূর্ণ এলাকার মাঝে এই ফাঁড়ি। বিস্ফোরণের অভিঘাতে বড়সড় বিপদ ঘটতে পারতো বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বিস্ফোরণের জেরে আগুন লেগে যায়। সেই আগুন নেভাতে দমকল কর্মীদের যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, বিস্ফোরণের সঠিক কারণ এবং বিস্ফোরক সংরক্ষণে কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালের অগস্ট মাসে দত্তপুকুর এলাকায় বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেই সময় গাফিলতির অভিযোগ উঠেছিল এই নীলগঞ্জ ফাঁড়ির বিরুদ্ধে। ওসি-কে সাসপেন্ডও করা হয়েছিল। এবার সেই ফাঁড়িতেই বিস্ফোরণ।








