এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার কেঁপে উঠলো জাপান (Japan Earthquake)। মঙ্গলবার দক্ষিণ জাপানের কিউশু দ্বীপের কুমামোতো অঞ্চলে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ৭.১। জারি হয়েছে সুনামির সতর্কতাও। এখনও পর্যন্ত ভূমিকম্পের জেরে আহত প্রায় ৫০ জন। জানা যায়, ভূমিকম্পর উৎপত্তিস্থল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বলেন, ‘ভূমিকম্পের ফলে আহতের খবর পাওয়া গেছে এবং বেশ কিছু ভবন ধসে পড়েছে।’
Japan Earthquake: সুনামির সতর্কতা
জাপান মেটেওরজিক্যাল এজেন্সির দাবি, এই কম্পনের পরেই আফটার শকের সম্ভবনা রয়েছে এবং জাপান জুড়ে সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কুমামোটো, নাগাসাকি, কাগোশিমা, ফুকুওকা, সাগা, ওইতা এবং মিয়াজাকি আফটারশকের জরুরি সতর্কতা জারি করেছে জাপান সরকার (Japan Earthquake)।
ভূমিকম্পের জেরে ক্ষয়ক্ষতি
নিরাপত্তার স্বার্থে আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে শিনকানসেন (Shinkansen) বা বুলেট ট্রেন। ভূমিকম্পের পরই রানওয়েতে ফাটল দেখা গিয়েছে। পরীক্ষার জন্য কুমামোতো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (Kumamoto International Airport) সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। ভূমিকম্পের তীব্রতায় বিভিন্ন মহাসড়ক ও সেতুতে ফাটল দেখা গিয়েছে। এরপরেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কিউশু এক্সপ্রেসওয়েসহ (Kyushu Expressway) বেশ কিছু প্রধান সড়ক। ব্যহত নেটওয়ার্ট পরিষেবাও।
ভূমিকম্পের জেরে ধসে পড়েছে বেশকিছু ভবন। উদ্ধারকাজ শুরু করে দিয়েছে, জাপানের স্থানীয় দমকল বাহিনী ও বিপর্যয় মোকাবলা বাহিনী। ইতিমধ্যেই উপকূলের কাছে বসবাসকারী প্রত্যেককে নিরাপদ ও উঁচু জায়গায় সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকায় ১ মিটার পর্যন্ত উচ্চতার ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জাপানের সরকারি সংবাদমাধ্যমের দাবি, কয়েকটি এলাকায় ওই উচ্চতার ঢেউ ইতিমধ্যেই আছড়ে পড়তে শুরু করেছে।












