ISL-এ বড় ধাক্কা। লিগ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামশেদপুর এফসি। ফলে ২০২৬-২৭ মরশুম থেকে দেশের শীর্ষ ফুটবল লিগে আর দেখা যাবে না এই দলকে। টানা নয় বছর আইএসএলে খেলার পর এবার শেষ হলো সেই অধ্যায়।
Jamshedpur FC: কেন এই সিদ্ধান্ত?
নতুন নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে AIFF-কে অংশগ্রহণ ফি জমা দিতে হয়। প্রথম কিস্তি হিসেবে ৫৫ লক্ষ টাকা ২০ জুলাইয়ের মধ্যে দেওয়ার কথা ছিল। জামশেদপুর এফসি এবং ইন্টার কাশী, দুই ক্লাবই প্রথমে সময়মতো টাকা জমা দিতে পারেনি।
যদিও পরে AIFF আরও একবার সুযোগ দিয়ে সময়সীমা ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ায়। সেই সময়ের মধ্যে ইন্টার কাশী ফি জমা দিলেও, জামশেদপুর এফসি তা করতে ব্যর্থ হয়। এরপরই আইএসএল থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ক্লাব।
ক্লাবের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা
শুক্রবার ক্লাবের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৬-২৭ মরশুম থেকে তারা আর ইন্ডিয়ান সুপার লিগে অংশ নেবে না। তবে ক্লাব পরিচালনাকারী সংস্থা জেএফএসপিএল স্পষ্ট করেছে, ভারতীয় ফুটবলের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা আগের মতোই থাকবে।
তবে ক্লাব জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও তারা তৃণমূল স্তরে ফুটবলের প্রসার, নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করা এবং তরুণ ফুটবলারদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার কাজ চালিয়ে যাবে। অর্থাৎ ISL ছাড়লেও ফুটবলের উন্নয়নের কাজ থেকে তারা সরে যাচ্ছে না।
এই ঘোষণার সঙ্গেই জামশেদপুর এফসি (Jamshedpur FC) তাদের সমর্থকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। জেআরডি টাটা স্পোর্টস কমপ্লেক্সকে ‘দ্য ফার্নেস’-এ পরিণত করার জন্য ভক্তদের ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি এআইএফএফ ও আইএসএলের ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছাও জানিয়েছে ক্লাব।
চিরবিদায় ফ্রাঙ্কো বারেসি, স্তব্ধ এসি মিলান-ইতালি; কাঁদছে ফুটবল বিশ্ব
কী বললেন ক্রীড়ামন্ত্রী?
এদিন ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ দেখতে কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। জামশেদপুরের আইএসএল ছেড়ে যাওয়া নিয়ে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি। তবে তাঁর বক্তব্য, ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। তিনি বলেন, কলকাতা ফুটবলের ভালো সময় আসছে। সামনে ব্রাজিলের ভারত সফর ও প্রীতি ম্যাচের মতো বড় আয়োজনও দেশের ফুটবলের জন্য ইতিবাচক বার্তাই বহন করছে বলে মনে করছেন তিনি।









