বিস্ফোরক তথ্য দিল ওয়েস্ট বেঙ্গল STF (west bengal stf)। দিল্লির যন্তর মন্তরে পুলিশের পোশাক পড়ে নাশকতার ছক ছিল হামিম মণ্ডলের। বড়সড় পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই জানালেন বেঙ্গল এসটিএফের আইজি গৌরব শর্মা। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকেও টার্গেট করা হয়েছিল বলে জানালেন তিনি।
হামিমের মোবাইল, বিভিন্ন সমাজ মাধ্যমে চ্যাট হিস্ট্রি ঘেঁটে ভয়ঙ্কর কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করেছেন এসটিএফের আইজি। শুক্রবার বর্ধমান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল বছর ২৪-এর যুবক হামিম মণ্ডলকে। গতকাল রাতেই তাকে কলকাতা নিয়ে আসা হয়েছিল। হামিমের ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন চ্যাট পর্যবেক্ষণ করেছেন এসটিএফের আধিকারিকরা। সেখানেই বিস্ফোরক তথ্য মিলেছে (west bengal stf)।
west bengal stf: কী সেই বিস্ফোরক তথ্য?
এসটিএফ – এদিন জানিয়েছে, পাকিস্তানের বেশ কয়েকজন হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগ ছিল হামিমেরর। মাদক সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত শাহজাহাদ ভাট্টির গ্যাংয়ের সদস্য তারা। হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম-সহ বেশ কিছু এনক্রিপ্টেড চ্যাটের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখা হতো।এমনকী, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বিভিন্ন গতিবিধি রেকর্ড করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীকেও ‘টার্গেট’ করা হয়েছিল বলে দাবি করে STF. পাশাপাশি দিল্লির যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের যে প্রতিবাদ আন্দোলন চলছিল, সেখানে পুলিশের পোশাক পরে নাশকতার ছক কষছিল তাঁরা।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি টার্গেট ছিলেন হাওড়ার এক মন্ত্রীও। এসটিএফ জানিয়েছে, ‘রানা’, ‘আবির’, ‘হাবিব’, ৩৩৩’ নামে বিভিন্ন হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল হামিমের। উল্লেখ্য, যুব সম্প্রদায়কে বিভিন্ন উগ্র মৌলবাদী ভাবনায় উদ্বুদ্ধ করা, অস্ত্র পাচার, নাশকতার পরিকল্পনা-সহ নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এই চক্রটি।
এমনকী, ‘হানি ট্র্যাপ’-এর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে ফাঁসানোর মতো কাজ করত এরা। সেই কাজে অর্পিতা সরকারকে ব্যবহার করা হতো কি না সে ব্যাপারেও তদন্ত চলছে। শনিবার সকালে অর্পিতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শেষ চার বছর হামিমের সঙ্গে অর্পিতার যোগাযোগ ছিল। ইনস্টাগ্রামে আলাপ হয়। এরপরে সম্পর্ক তৈরি হয় বলে দাবি। কী এমন বড়সড় পররিকল্পনা ছিল হামিমের? উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা।










