অসমে অসম লড়াই। গ্রাম থেকে শহরে বিপর্যয়ের ক্ষত। ঘরছাড়া এখনও অনেকে। বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। জলের তলায় ডুবে রয়েছে। এতেই প্রচুর প্রত্নতাত্ত্বিক নথি নষ্ট হয়েছে বলে মনে করছেন প্রত্নতত্ত্ববিদরা। জরুরি ভিত্তিতে সেইগুলি অসম সরকারের কাছে সংরক্ষণের দাবি তুলেছেন তাঁরা (Assam Floods)।
Assam Floods: আশঙ্কায় প্রত্নতত্ত্ববিদরা
প্রত্নতত্ত্ব দফতরের ভারপ্রাপ্ত অধিকারিক ড. নবজিৎ দেওরির মতে, শিবসাগর ও চরাইদেও জেলাজুড়ে অন্তত ১২ টি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখতে দেওরি বন্যা-কবলিত স্মৃতিস্তম্ভগুলি পরিদর্শন করেন (Assam Floods)।
তিনি আরও বলেন, “সিমালুগুরির দারিকা, সিলসাকোতে উদ্বেগ দাঁড়িয়ে। আমাদের আশঙ্কা, এখানে দাঁড়িয়ে থাকা স্তম্ভগুলি ভেঙে যেতে পারে। জলের স্তর এখনও বেশি। বন্যার জল নেমে যাওয়ার পরই কেবল এখানে বোঝা যাবে কী কী ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।”
ফুলে ফেঁপে উঠেছে, দিখৌ নদীর জলস্তর। নাজিরার গোরখিয়া দৌলের সীমানা পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে জল। এছাড়াও বন্যার জলে ক্ষতিগ্রস্থ, শিবসাগরের গোলাঘর, হর গৌরী মন্দির, ফাকুয়া দৌল ও বগি দৌল। বেশকিছু ঐতিহ্যবাহী স্থান এখনও জলের তলায়।
প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের উপ-পরিচালক শাবিনা হাসান বলেন, “প্রত্নতাত্ত্বিক দলটি ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলির বিষয়ে একটি প্রাথমিক মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। অসমের অমূল্য ঐতিহ্য রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য।” শুধুমাত্র এই এলাকাগুলিতেই নামঘোষা, কীর্তন ও ভাগবতের মতো প্রায় ১,০০০-এরও বেশি প্রত্নতাত্ত্বিক নথি অবিলম্বে সংগ্রহ দরকার।
ক্ষতিগ্রস্ত পুঁথি গুলির মধ্যে কোনোটির দৈর্ঘ্য ৩.৫ ফুট এবং কোনওটি চওড়া প্রায় ১০ ইঞ্চি। এগুলির মধ্যে পাতার সংখ্যা ৩ থেকে শুরু করে ৩৫০টি পর্যন্ত হতে পারে। বেশিরভাগ পুঁথির ভিতরের লেখা নষ্ট হয়ে গিয়েছে।










2 thoughts on “অসমে বন্যায় জলে ডুবে রয়েছে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, ক্ষতিগ্রস্ত বহু নথি, আশঙ্কায় প্রত্নতত্ত্ববিদরা”