মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আগস্ট মাসে ৮৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। শিশু মৃত্যু ঘিরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। এক মাসে এত শিশুর মৃত্যু স্বাভাবিক ঘটনা নয় বলেই মনে করছে রাজ্যের বিশেষজ্ঞ দল। শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে জানালেন বিশেষজ্ঞ দলের চেয়ারম্যান চিকিৎসক প্রলয় আচার্য। (Malda Medical College)
অপুষ্টি থেকে জন্মগত সমস্যা, একাধিক কারণ
প্রলয় আচার্য জানান, শিশু মৃত্যুর পিছনে একাধিক কারণ উঠে এসেছে। অপুষ্টি তার মধ্যে অন্যতম। পাশাপাশি জন্মের পর শ্বাসকষ্ট, কম ওজন, জন্ডিস, হৃদরোগ এবং জন্মগত ত্রুটির মতো সমস্যাও রয়েছে। কোথাও সংক্রমণের কথাও সামনে এসেছে। প্রতিটি মৃত্যুর কারণ খুঁজতে চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি ও রিপোর্ট খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ দলের দাবি, ১৭ আগস্টের পর কয়েক দিনের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলক ভাবে বেড়েছিল। সেই পরিস্থিতি নিয়েই মালদায় এসে পর্যালোচনা করেছে দল। গত তিন বছরের তথ্যও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। (Malda Medical College)
৪৮ ঘণ্টায় বাড়তি নজর
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় আরও কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালে নজর বাড়ানো হবে। জেলা স্বাস্থ্য দফতর, মেডিক্যাল কলেজ এবং বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। প্রলয় আচার্য বলেন, শুধু হাসপাতাল নয়, একেবারে নিচুতস্তর থেকে মেডিক্যাল কলেজ পর্যন্ত শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য পরিষেবা আরও শক্তিশালী করতে হবে। বাবা-মা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। (Malda Medical College)
পরিষেবা ও পরিকাঠামোতেও ঘাটতি
বিশেষজ্ঞ দলের নজরে এসেছে, হাসপাতালে কিছু পরিষেবা ভালো হলেও কোথাও ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি যা পরিকাঠামো রয়েছে, তার সঠিক ব্যবহার হচ্ছে কি না, সেটিও দেখা হচ্ছে। শিশু বিভাগে ১২ জন শিশু বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। তবে চিকিৎসক, প্যারামেডিক্যাল ও অন্যান্য কর্মীর চাহিদা রয়েছে। রোগীর চাপও যথেষ্ট বেশি বলে জানানো হয়েছে। প্রলয় আচার্য আরও জানান, সব সমস্যার সমাধান একদিনে সম্ভব নয়। কোথায় কী প্রয়োজন, তা দেখে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। (Malda Medical College)
আরও পড়ুন :- মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ২ যুবকের, নিথর দাদার হাতে রাখি বোনের










