রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

কোথা থেকে উঠছে ব্রাজিলের ম্যাচের খরচ? ফেডারেশনকে কড়া চিঠি ভাইচুংয়ের

Bhaichung Bhutia
---Advertisement---

হাতে আর বেশিদিন নেই। ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত বনাম ব্রাজিলের ম্যাচ। আর এই ম্যাচ ঘিরেই চড়ছে উত্তেজনার পারদ। এরই মধ্যে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের (AIFF) বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও অগ্রাধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুললেন দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক ভাইচুং ভুটিয়া। এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য হিসেবে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এম সত্যনারয়ণকে একটি কড়া ইমেল পাঠান ভাইচুং। সেই চিঠিতে বেশকিছু বিষয়ে নিয়ে জবাবদিহি চেয়েছেন তিনি। যার মধ্যে রয়েছে ব্রাজিল ফুটবল সংস্থাকে দেওয়া অগ্রিম অর্থ, ফিফার টিকিটের হিসেব এবং জাতীয় মহিলা দলের বকেয়া দৈনিক ভাতা না মেটানোর মতো বেশকিছু অভিযোগ রয়েছে (Bhaichung Bhutia)।

Bhaichung Bhutia: ভাইচুং-এর জবাবদিহি

চিঠিতে ভাইচুং জানতে চেয়েছেন, ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশনকে (CBF) দেওয়ার জন্য যে অগ্রিম অর্থের কথা সভাপতি উল্লেখ করেছিলেন, তা কি ফেডারেশনের তহবিল থেকেই মেটানো হয়েছে? যদি সেই অর্থ দেওয়া হয়ে থাকে, তবে তার সঠিক পরিমাণ কত এবং পরবর্তীতে কে বা কারা সেই টাকা এআইএফএফ-এর অ্যাকাউন্টে ফেরত দেবে—তার স্পষ্ট হিসেব চেয়েছেন তিনি।

কারা পেয়েছে বিশ্বকাপের টিকিট?

আন্তর্জাতিক ফুটবলের টিকিট বণ্টন নিয়ে স্বচ্ছতার দাবি তুলেছেন প্রাক্তন অধিনায়ক ভাইচুং ভুটিয়া। ফিফা (FIFA) এআইএফএফ-কে কতগুলি কমপ্লিমেন্টারি টিকিট পাঠিয়েছিল এবং ফেডারেশন নিজে তহবিল থেকে কতগুলি টিকিট কিনেছিল, সেই তালিকা প্রকাশ করতে দাবি তুলেছেন তিনি। এই টিকিটগুলো কাকে কাকে বিলি করা হয়েছে এবং কোনও টিকিট বিক্রি করা হয়েছে কি না, তার পূর্ণাঙ্গ হিসেব দাবি করেছেন ভাইচুং (Bhaichung Bhutia)।

চিঠিতে তিনি আরও লিখেছেন, জাতীয় দলের হয়ে খেলা ভারতীয় মহিলা ফুটবলাররা এখনও দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের প্রাপ্য দৈনিক ভাতা পাননি। একদিকে হাই-প্রোফাইল প্রীতি ম্যাচের জন্য বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে, অন্যদিকে জাতীয় দলের মেয়েদের ন্যায্য পাওনা আটকে রাখা হয়েছে কেন, তা নিয়ে ফেডারেশনকে তুলোধোনা করেছেন তিনি। এই বকেয়া ভাতা মেটানো হয়েছে কি না এবং না হয়ে থাকলে তা কবে পরিশোধ করা হবে, সেকথাও জানতে চান তিনি।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment