উত্তরাখণ্ডের হালদোয়ানিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সভার পর ‘শুদ্ধিকরণ’ অনুষ্ঠান। আর সেই ঘটনাকে ঘিরেই শনিবার সরাসরি বিজেপি ও আরএসএসকে নিশানা করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর দাবি, ‘শুদ্ধিকরণ’ আসলে অস্পৃশ্যতারই অন্য নাম। সংবিধান অনুযায়ী এমন কাজ অপরাধ। (Rahul Gandhi)
হালদোয়ানি কাণ্ডে সরব রাহুল
শনিবার নয়াদিল্লিতে কংগ্রেস সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাহুল। সেখানেই তিনি বলেন, হালদোয়ানির রামলীলা ময়দানে ৮ অগস্ট কংগ্রেসের সভা হয়েছিল। (Rahul Gandhi) ২০২৭ সালের উত্তরাখণ্ড বিধানসভা নির্বাচনের আগে ওই সভায় বক্তব্য রেখেছিলেন খাড়গে। পরে সেখানে দক্ষিণপন্থী একটি সংগঠনের সদস্যরা ‘শুদ্ধিকরণ’ অনুষ্ঠান করেন। রাহুলের অভিযোগ, এই কাজের মাধ্যমে দলিতদের ‘অশুচি’ হিসেবে দেখানো হয়েছে। তাঁর কথায়, অস্পৃশ্যতা সংবিধানে নিষিদ্ধ। অথচ বিজেপি ও আরএসএসের সদস্যরা প্রকাশ্যে এমন কাজ করছেন। (Rahul Gandhi)
‘দুই মতাদর্শের লড়াই’
রাহুল বলেন, বর্তমানে দেশে দুটি মতাদর্শের মধ্যে লড়াই চলছে। এক দিকে রয়েছে সংবিধান, যে সংবিধানের সঙ্গে ডক্টর বি আর আম্বেদকর, মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু এবং সর্দার প্যাটেলের ভাবনা জড়িয়ে রয়েছে। অন্য দিকে বিজেপি ও আরএসএসের মতাদর্শ। (Rahul Gandhi) দলিতদের এখনও নানা ভাবে বৈষম্যের শিকার হতে হয় বলেও অভিযোগ করেন রাহুল। তাঁর দাবি, কোথাও দলিত পড়ুয়াদের দিয়ে শৌচাগার পরিষ্কার করানো হয়। কোথাও তাঁদের সাধারণ কুয়ো থেকে জল নিতে দেওয়া হয় না। চায়ের দোকানেও দলিতদের জন্য আলাদা কাপ ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।
রাজ্যসভায় প্রসঙ্গ তুলেছিলেন খাড়গে
হালদোয়ানি-কাণ্ড নিয়ে রাজ্যসভাতেও সরব হয়েছিলেন খাড়গে। তিনি বলেছিলেন, তাঁর বক্তৃতায় কোনও ধর্ম বা সম্প্রদায়ের কথা বলা হয়নি। তবু তাঁর বক্তব্যের পর মঞ্চ ‘শুদ্ধ’ করা হয়েছে। দলিত নেতা হিসেবে তাঁর পরিচয়কে সামনে রেখে এমন ঘটনা তাঁকে ‘অস্পৃশ্য’ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরে এক্স-এ খাড়গে জানান, তিনি ঘটনাটিকে রাজনৈতিক রূপ দিতে চান না। তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা এবং অস্পৃশ্যতা-বিরোধী আইনে মামলা করার দাবি জানান। (Rahul Gandhi)
আরও পড়ুন :- বন্যার তাণ্ডবের মাঝেই ‘লুট’, নগদভর্তি আলমারি ভেঙে টাকা নেওয়ার অভিযোগে আটক ২৯











