রবিবারই মুছে ফেলা হয়েছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়াল লিখন। লেখার উপরে সাদা চুনকাম করা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ দিয়েছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়াল থেকে ‘আবর্জনা সাফ’ করার। সোমবার ভোরে দেখা গেল সেই সাদা প্রলেপের উপরেই ফিরে এলো কার্ল মার্ক্সের উক্তি। এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। তিনি বলেন, শুধু দেওয়াল মুছলেই হবে না, দেশবিরোধী স্লোগান লিখলে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হোক (Nawsad Siddique)।
Nawsad Siddique: ‘আইনত ব্যবস্থা হোক’
বিধানসভায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নওশাদ (Nawsad Siddique) বলেন, “দেশবিরোধী স্লোগান লিখলে শুধু মোছা নয়, আইনত ব্যবস্থা হোক। আর যদি খাদ্য দেওয়া, ক্ষুধা নিবারণের কথা বলা হয় তাহলে থাকুক। যাদবপুর নিয়ে যা চলছে তা বন্ধ করা প্রয়োজন। দৃষণের ক্ষেত্রে ১৭৭টি দেশের মধ্যে ১৭৬-এ চলে গেল কেন? এর বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে, সেই স্লোগান মোছার কোনও প্রশ্ন নেই। বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা করার জায়গা। সেইটা নিয়ে যা চলছে তা বন্ধ করা দরকার।”
পুলিশের বিরুদ্ধে ‘একহাত’ নওশাদের
অভিষেকের ক্যমাক স্ট্রিটের অফিসে বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল, তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন নওশাদ। তিনি বলেন, “গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই আমরা সবাই করি। ২৬ এর ভোটে বামেদের সঙ্গে জোট করে লড়াই করেছি। সামান্য এক অফিসের বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে যে ভাবে পুলিশ পাঠাচ্ছে তাতে আসলে হচ্ছে কী? আসলে তৃণমূলের মরা গাঙে জল দিচ্ছে। নানা দুর্নীতির পরেও দেখা যাচ্ছে তৃণমূলের নেতারা বাইরে। সেবাশ্রয় হোক বা সই কাণ্ড। কাকুর ভয়েস টেস্ট এখন কোন পর্যায়ে আছে, সবটাই দেখা প্রয়োজন। আসলে তৃণমূল কংগ্রেস কোণঠাসা হচ্ছিল। আইএসএফ সহ বাকিরা বিরোধী হিসবে উঠছিল। তাই এমন করছে। তৃণমূলের দুই ভাগ হয়ে গেছে। বাইরে লড়াই বাম-আইএসএফ দিচ্ছে। বিধানসভায় আমি একা ছিলাম, এখন আবার এসেছে রানা দা। লড়াই আমরাই করব।”












1 thought on “‘দেশবিরোধী স্লোগান লিখলে, আইনত ব্যবস্থা হোক’, যাদবপুরের দেওয়ালে চুনকাম নিয়ে মত নওশাদের”