জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের রাতভর হামলায় একাধিক মার্কিন যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে CBS-এর একটি রিপোর্ট। হামলায় একটি A-10 Thunderbolt সরাসরি আঘাত পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া প্রায় আটটি F-15 যুদ্ধবিমান সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছ বলেও খবর। CBS-এর সাংবাদিক জেনিফার জ্যাকবস এক্স-এ পোস্ট করে জানান, জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমান ঘাঁটিতে এই হামলা চালানো হয়। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতে ওই ঘাঁটিতে থাকা মার্কিন বাহিনী ৩০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ে। (US Iran War)
জ্যাকবসের দাবি, এর আগে ইরানের হামলায় একটি মার্কিন নৌবাহিনীকে টার্গেট করার পর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে আমেরিকা পাঁচটি ইরানি ট্যাঙ্কার ডুবিয়ে দেয়। তার পরেই ইরান পাল্টা হামলা চালায়। ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) দাবি করে, তারা আটটি ট্যাঙ্কার এবং দুটি যুদ্ধজাহাজ-সহ একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।
উল্লেখ্য, মার্কিন বাহিনীর জন্য মুওয়াফফাক সালতি বিমান ঘাঁটিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর ক্ষেত্রে এই ঘাঁটি অন্যতম প্রধান বিমানঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং সেখানে কয়েক ডজন মার্কিন যুদ্ধবিমান মোতায়েন রয়েছে।
ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা IRNA-কে দেওয়া বিবৃতিতে IRGC জানায়, ‘শাস্তিমূলক অভিযান’-এর অংশ হিসেবে জর্ডানের আল-আজরাক মার্কিন ঘাঁটিতে ভারী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালীর কাছে যাতায়াতকারী এক ডজনেরও বেশি জাহাজেও হামলার কথা জানিয়েছে তেহরান। হামলার পর জর্ডানের সেনাবাহিনী জানায়, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে। এর মধ্যে ১৮টি ধ্বংস করা হয় এবং বাকি দু’টি জনবসতিহীন এলাকায় আছড়ে পড়েছে। (US Iran War)
১৩ বছরের অপেক্ষার অবসান, ঈশানের নেতৃত্বে তৃতীয়বার দলীপ ট্রফি ঘরে তুলল ইস্ট জোন
ইতিমধ্যে ইরানের গার্ডস জানিয়েছে, আমেরিকা তাদের কয়েকটি শর্ত মানলে যুদ্ধ শেষ হতে পারে। শর্তগুলির মধ্যে রয়েছে লেবানন থেকে ইজরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, ইয়েমেনের অবরোধ শেষ করা, ইরানের ২৪ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছেড়ে দেওয়া এবং দেশটির পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে হস্তক্ষেপ না করা।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই যুদ্ধ শেষ হবে। তাই সব মিলিয়ে পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা এই যুদ্ধ পরিস্থিতি ঠিক কবে শান্ত হয় সে দিকেই তাকিয়ে বিশ্ববাসী।












