আগেই বলেছিলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে যদি লড়েন তাহলে নন্দীগ্রামে আমরা প্রার্থী দেব না।’এবারও তাই বললেন। শনিবার দিল্লির ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট (আইআইআইডিইএম)-এ যান ঋতব্রত শিবিরের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। ‘জোড়াফুল’ প্রতীক কার দখলে থাকবে, তাই নিয়ে নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে ফয়সলা করতে চান তাঁরা (nandigram bypoll)।
nandigram bypoll: কী বললেন ঋতব্রত?
প্রতিনিধি দলে ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ আখরুজ্জামান, অরূপ রায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও রিজু দত্ত (nandigram bypoll)। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তাঁদের সঙ্গে আইআইআইডিইএম আলোচনা “অত্যন্ত ফলপ্রসূ” হয়েছে এবং প্যানেল কিছু নথিপত্র চেয়েছে,সেইগুলি তাঁরা জমা দেবেন। তিনি আরও বলেন, “এই ঘোষণার পরেও যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তবে আমরা আমাদের সমর্থিত প্রার্থীকে প্রত্যাহার করে নেব।”
তিনি বলেন, “আমরা আশাবাদী কারণ আমরাই আসল তৃণমূল।” পাশাপাশি তাঁরা দলের প্রতীকের ওপর নিজেদের দাবি নিয়ে আত্মবিশ্বাসী। ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক আখরুজ্জামান জানান, ১৬ সেপ্টেম্বরের আগেই তারা এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন এবং তিনি আশাবাদী যে তৃণমূলের দলীয় প্রতীক তাদের অনুকূলেই থাকবে। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি নন্দীগ্রাম থেকে উপনির্বাচনে লড়েন, তবে আমরা তাঁর বিরুদ্ধে কোনও প্রার্থী দাঁড় করাব না।”
তৃণমূলের দুই শিবিরই চাইছে
‘জোড়াফুল’ প্রতীকের ফয়সলা হোক। ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর। তার আগে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার যাতে নিয়ে নেওয়া হয়, চাইছে দুই পক্ষই। তবে দুই পক্ষেই জোড়াফুল প্রতীক চাইছেন।











