নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত হয়েছে, ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। এই সম্মেলনে রাষ্ট্রনেতাদের স্বাগত জানাতে তামিলনাড়ুর রামেশ্বরমের বিখ্যাত রামনাথস্বামী মন্দিরের পটভূমি ব্যবহার করা হয়েছে। এই ঐতিহাসিক মন্দিরটি তার স্থাপত্য, দীর্ঘায়িত করিডোর এবং পৌরাণিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্বের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এই পটভূমিকে সামনে রেখে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে স্বাগত জানান। এ সময় নরেন্দ্র মোদি শি-কে ওই মন্দিরের গুরুত্ব সম্পর্কেও অবহিত করেন (brics)।
brics: কী বললেন রাষ্ট্র নেতারা?
ভারত মণ্ডপমে ব্রিকস সম্মেলনে রাষ্ট্র নেতাদের অভ্যর্থনা জানানোর সময় রামেশ্বরমের ঐতিহ্যবাহী রামনাথস্বামী মন্দিরের চিত্র সকলের নজর কাড়ে। এরপরই প্রধানমন্ত্রী স্বাগত জানান, ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরো ভিয়েইরাকে। এছাড়াও নরেন্দ্র মোদি সেখানে ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলি, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ানতোকে স্বাগত জানান। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও (brics)।
সম্মেলনের ফাঁকে ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলির সঙ্গে প্রতিরক্ষা, বিনিয়োগ সম্পর্ক, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ এবং পরিচ্ছন্ন শক্তি নিয়ে আলোচনা করেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি উল্লেখ করেন যে, দুই দেশ তাদের “পুরোনো বন্ধুত্বকে নতুন উচ্চতায়” নিয়ে যাচ্ছে।
নিজের এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “ভারত ও ইথিওপিয়া তাদের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে! ভারতে প্রথমবার সফররত প্রধানমন্ত্রী ড. আবি আহমেদ আলিকে স্বাগত জানাতে পেরে আমি আনন্দিত। আজকের আলোচনায় প্রতিরক্ষা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগের সম্পর্ক, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, পরিচ্ছন্ন শক্তি এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো বিষয়গুলি স্থান পেয়েছে। আমরা যৌথভাবে ভারত-আফ্রিকা সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করব এবং ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর কণ্ঠস্বরকে আরও জোরালো করে তুলব।”
বর্তমানে মোট ১১টি দেশ এই ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিয়েছে। এইগুলি হলো, ব্রাজিল, চিন, মিশর, ইথিওপিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ, আন্তর্জাতিক স্তর ও অর্থনীতিতে উন্নয়নশীল দেশগুল বা ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর জোরালো উপস্থিতি ও অধিকার নিশ্চিত করা। ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিশ্বের বিভিন্ন আঞ্চলিক ও অর্থসংকট মোকাবিলায় পারস্পরিক বোঝাপড়া ও নিরাপত্তায় সহযোগিতা করা।










