রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

দিশা সালিয়ানের মৃত্যু মামলায় নয়া মোড়, FIR-এ আদিত্য ঠাকরে সহ ডিনো মোরিয়া

Published on: September 14, 2026
disha salian case
---Advertisement---

প্রয়াত অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ানের রহস্যমৃত্যুতে নয়া মোড়। CBI-এর FIR-এ রয়েছে শিবসেনা নেতা তথা বিধায়ক আদিত্য ঠাকরে, অভিনেতা ডিনো মোরিয়া, সুরজ পাঞ্চোলি এবং রিয়া চক্রবর্তীর মতো একাধিক ব্যক্তির নাম। বম্বে হাইকোর্টের নির্দেশের দুই সপ্তাহের মধ্যেই মামলাটি হাতে নিয়ে সোমবার এফআইআর (CBI FIR Disha Salian case) দায়ের করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এ ছাড়া তৎকালীন উদ্ধব ঠাকরে সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে (disha salian case)।

disha salian case: FIR-এ কী অভিযোগ?

এফআইআর-এ স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, “তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী এবং আদিত্য ঠাকরের বাবা উদ্ধব ঠাকরে সহ অন্যান্যরা এই ষড়যন্ত্র এবং পরবর্তীতে গোটা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। সরকারি নথি ও কেস পেপার লোপাট করা, অফিসিয়াল রেকর্ড জালিয়াতি করা, বেআইনি কাজের জন্য সরকারি অর্থ, পুলিশ ও লোকবল অপব্যবহার করা এবং অপরাধীদের আড়াল করার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মী ও পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।”

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ৮ জুন মুম্বইয়ের মালাডের একটি বহুতল থেকে পড়ে মৃত্যু হয় দিশা সালিয়ানের। এর মাত্র ৬ দিন পর, ১৪ জুন অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের দেহ উদ্ধার হয় (disha salian case)।

এতদিন মুম্বই পুলিশ একে ‘দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু’ বা আত্মহত্যা হিসেবে দেখলেও, দিশার বাবা সতীশ সালিয়ান আদালতে অভিযোগ করেন যে তাঁর মেয়েকে গণধর্ষণ ও খুন করা হয়েছিল এবং প্রভাবশালী মহলের সাহায্যে তথ্যপ্রমাণ লোপাট করা হয়।

মুম্বই পুলিশের দীর্ঘ ৬ বছরের তদন্তের খামতি ও গরমিল নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে বোম্বে হাইকোর্ট মামলাটি সরাসরি সিবিআই-এর হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

আদালতের নির্দেশে দিশার বাবার বয়ান রেকর্ড করার পর সিবিআই গণধর্ষণ, খুন, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং তথ্যপ্রমাণ লোপাটের মতো একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now

Leave a Comment