বাংলাদেশে ফের তীব্র বিদ্যুৎ সংকট। দেশের একাধিক এলাকায় দিনে ৫ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। বরিশাল, রংপুর, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনার মতো জেলাগুলিতে পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি ভোগাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। হাসপাতালের জরুরি পরিষেবাতেও পড়েছে এর প্রভাব। বিদ্যুৎ না থাকায় টর্চের আলোয় রোগী দেখছেন চিকিৎসক ও নার্সেরা। গরমে হাতপাখাই ভরসা রোগীর পরিজনদের। (Bangladesh Power Crisis)
হাসপাতালেও পওয়া যাচ্ছে না জরুরি পরিষেবা
বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। বিদ্যুৎ না থাকায় চিকিৎসক ও নার্সদের রোগীদের শয্যার কাছে টর্চ নিয়ে যেতে হচ্ছে। তীব্র গরমে সমস্যায় পড়ছেন রোগী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। স্বাস্থ্যকর্মীদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি দীর্ঘ হলে অক্সিজেন ও নেবুলাইজারের মতো জরুরি পরিষেবা চালানো কঠিন হতে পারে। মর্গে থাকা দেহের ময়নাতদন্তের কাজও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
২০২২-এর চেয়েও বড় ঘাটতি
বিদ্যুৎ ঘাটতির ছবিটিও এবার আরও গুরুতর। ২০২২ সালে বাংলাদেশে বড়সড় বিদ্যুৎ সংকটের সময় ঘাটতি ছিল প্রায় ৭৫০ মেগাওয়াট। এ বার সেই ঘাটতি বেড়ে প্রায় ৩৫০০ মেগাওয়াট হয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়মিত লোডশেডিং করতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় শুধু সাধারণ মানুষ নয়, ব্যবসায়ীরাও সমস্যায় পড়েছেন। দীর্ঘ সময় দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালানো কঠিন হয়ে উঠছে। (Bangladesh Power Crisis)
সরকারি নির্দেশেও কাটেনি সমস্যা
পরিস্থিতি সামাল দিতে গত ১২ অগস্ট বাংলাদেশ সরকার একাধিক নির্দেশ দিয়েছিল। শপিং মল, দোকান ও বাজার সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে তাতেও বিদ্যুৎ সংকটের বিশেষ সমাধান হয়নি বলে জানাচ্ছেন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা।
এই পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বার বার দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে তাঁকে কটাক্ষও করছে বিরোধী দলগুলি। (Bangladesh Power Crisis)
আরও পড়ুন :- ডিনারে অনুপস্থিত জিনপিং, BRICS সম্মেলনের মাঝে আচমকা কী হলো চিন প্রেসিডেন্টের?












1 thought on “টর্চের আলোয় চিকিৎসা, বিদ্যুৎ সংকটে অন্ধকার বাংলাদেশ”