এবার প্রাকৃতিক দুর্যোগে নিখোঁজ ব্যক্তিদের আইনিভাবে মৃত ঘোষণার জন্য দীর্ঘ ১২ বছর ধরে অপেক্ষা করতে হবে না। মাত্র ৪৫ দিনেই মৃত ঘোষণা করা হবে। এমনটাই সিদ্ধান্ত নিল নেপাল সরকার। এর ফলে ২৬ অগস্ট নেপালে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বিপর্যয়ে নিখোঁজ অন্তত ১৮৯ জন ভারতীয়সহ মোট ৫,২৮৫ জনের পরিবারকে মৃত্যুর শংসাপত্র দেওয়া হবে। পাশাপাশি ওই পরিবারগুলি ক্ষতিপূরণ, বিমা সংক্রান্ত আবেদনও করতে পারবেন। দুর্যোগের পর ৪৫ দিনের সময়সীমা শেষ হওয়ার ঠিক আগের দিন, শুক্রবার গভীর রাতে রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পাউডেল এই নির্দেশিকাটি জারি করেন (nepal flood)।
nepal flood: কী রয়েছে নির্দেশিকায়?
প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের মন্ত্রিসভার সুপারিশে জারি করা এই নির্দেশিকাটি অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে। নিখোঁজ ১৮৯ জন ভারতীয় নাগরিকের পরিবারের ক্ষেত্রেও এই নির্দেশিকাটি প্রযোজ্য। ফলে মৃত ব্যক্তির পরিবারের দেওয়া উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ দিয়ে এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হবে। কাঠমান্ডুতে ভারতীয় দূতাবাসে তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়াটি হবে। এবিষয়ে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নেপাল সরকার যোগ স্থাপন রেখে চলছে।
ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত আইনি সহায়তা
বন্যার পর থেকে এখনও প্রায় ৫,০০০ থেকে ৬,০০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। মৃত্যুর শংসাপত্র (Death Certificate) না পাওয়ায় তাদের পরিবারের সদস্যরা বিমা, ব্যাঙ্কের সঞ্চয় এবং উত্তরাধিকার সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারছিলেন না। নতুন এই নিয়মের ফলে ভুক্তভোগী পরিবারগুলি দ্রুত আইনি ও আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাবে। তবে এর আওতায় বিদেশি নাগরিকরা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য কি না, সে বিষয়ে এই নির্দেশিকায় কোনও স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়নি (nepal flood)।
অন্যদিকে, আবারও ফের প্রকৃতিক দুর্যোগে মুখে নেপাল। রবিবার গোরখা জেলায় বুড়ি গণ্ডকী নদীতে প্রবল বন্যায় ভেসে গেল তিনটি সেতু ও প্রায় ৩৫টি বাড়ি। কোথাও বাড়িতে জল ঢুকেছে, আবার কোথাও বাড়ি সম্পূর্ণ ভেসে গিয়েছে। বেশ কয়েকটি বসতিও বিপদের মুখে। নেপাল পুলিশের তরফে এই তথ্য জানানো হয়েছে।













1 thought on “১২ বছর অপেক্ষা নয়, ৪৫ দিনেই মৃত ঘোষণা, বিপর্যয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেপাল সরকারের”
Comments are closed.