জরা-জীর্ণ অবস্থায় পড়েছিল বাড়িটি। সেই সুযোগেই কারও অনুমতি না নিয়েই ভাঙা হলো বাড়ি। এমনই অভিযোগ উঠেছে এক দালাল চক্রের বিরুদ্ধে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজপুরের কদমতলায় ছিলো বাড়িটি। স্থানীয়দের একাংশের অভিমত, এই বাড়িটি ছিল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোসের এক সম্পর্কের পিসির বাড়ি। এই বাড়িতেও নাকি এসেছিলেন নেতাজি (Rajpur)।
Rajpur: কেন অভিযোগ?
শরিক গৌতম কুমার মিত্রের অভিযোগ, এই বাড়িটির উপর আগে থেকেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর নজর পড়েছিল। বাড়িটি মোট ৬৩ জন শরিকের। কী করে ১৫ জন শরিকের সই ছাড়াই বাড়িটি ভাঙা হলো? এর পেছনে দালাল চক্রের হাত দেখছেন স্থানীয়রা। এই ঘটনায় আবেদ আলি গাজী এবং শেফালিকা মজুমদার নামে দুজনের নাম উঠে আসছে (Rajpur)।
আরও অভিযোগ, “এই পুরনো বাড়ি ভাঙার জন্য কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। শুধু আমরা জানিয়েছিলাম যে জায়গাগুলি বিপজ্জনক সেই জায়গাগুলি ভেঙে দেওয়া হোক। আমাদের কথা কেউ শুনছে না। আমি বাধ্য হয়ে বিজেপি নেতৃত্বদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। এই বাড়িটি ভাঙার ফলে আমার বাড়িটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভয়ে বাড়ি ছেড়ে, নিজের বাড়ি থাকতেও ভাড়া বাড়িতে রয়েছি। আমরা সিনিয়ার সিটিজেন। ওই বাড়ি ভাঙার পরে আমাদের ঘরের এমন পরিস্থিতি ঘর ধসে গিয়ে যেকোনও মুহূর্ত দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।”
গৌতম কুমার মিত্র বলেন, ” ঘটনার সময় আমি ছিলাম না। যাঁরা ভেঙেছেন, আমি চাই বাড়িটিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হোক। আমি চাই নিজের বাড়িতে ফিরতে।”
সূত্রের খবর, অভিযুক্ত দুজনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন গৌতমবাবু। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ এসে মিস্ত্রিদের গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে। আসল দুই অভিযুক্তরা এখনও অধরা। তদন্ত করছে পুলিশ।











