পুজোর আনন্দের মাঝেই বড়সড় বিপর্যয় দক্ষিণ কলকাতায়। মহা নবমীর ভোরে (Baghajatin Market Fire Incident) বাঘাযতীন বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেল প্রায় ৪৫ দোকান। দমকলের ১৫ টি ইঞ্জিনের প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। উৎসবের মরশুমে দোকানের সমস্ত সামগ্রী হারিয়ে দিশেহারা ব্যবসায়ীরা। তাঁদের দাবি, সরকারি আর্থিক সাহায্য ছাড়া নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন।
ভোররাতে আগুন, দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে শিখা
@InfraAddaofWB Baghajatin Fire Incident: Fire breaks out in Baghajatin Market in the early hours of the morning, several shops burnt to ashes, many businessmen perished during the puja https://t.co/IDPmdT6DTq https://t.co/SD55phPCPL
— Deepak (@DeepakDiscuss) October 20, 2026
(Baghajatin Market Fire Incident) মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৩টে নাগাদ বাঘাযতীন বাজারে আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়ে। দমকল সূত্রে প্রাথমিক অনুমান, বাজারের ভিতরে একটি বাতাসা তৈরির দোকান থেকেই আগুনের সূত্রপাত। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। প্রথমে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরে আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় ইঞ্জিনের সংখ্যা বাড়িয়ে ১৫টি করা হয়। সকাল সাড়ে ৭টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপরও কোথাও আগুনের ছোটখাটো অংশ জ্বলছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তল্লাশি চালান দমকল ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা।
পুড়েছে মুদিখানা ও পুজোর সামগ্রীর দোকান
(Baghajatin Market Fire Incident) ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলির মধ্যে মুদিখানা এবং দশকর্মার দোকানও ছিল বলে জানা গিয়েছে। লক্ষ্মীপুজোর জন্য দোকানে মজুত রাখা ঠাকুরের মূর্তি ও পুজোর সামগ্রী আগুনে নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন এক মহিলা বিক্রেতা। দুর্গাপুজো থেকে ভাইফোঁটা পর্যন্ত বিক্রির আশায় বহু ব্যবসায়ী প্রচুর টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। মুহূর্তে সব হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁরা।
দমকলের দেরি নিয়ে অভিযোগ, ব্যাহত যান চলাচল
প্রথম ইঞ্জিন পৌঁছনোর পর বাকি ইঞ্জিন আসতে প্রায় ৩৫ মিনিট দেরি হয়েছিল বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের একাংশের। তাঁদের দাবি, দ্রুত পর্যাপ্ত সাহায্য পৌঁছলে ক্ষয়ক্ষতি কমতে পারত। অগ্নিকাণ্ডের জেরে গড়িয়া-যাদবপুর সংযোগকারী রাজা এসি মল্লিক রোডে যান চলাচলও ব্যাহত হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নেতাজিনগর থানার পুলিশ। যাদবপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়ও ঘটনাস্থলে যান। এখনও পর্যন্ত হতাহতের খবর নেই। আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সর্বস্বান্ত ব্যবসায়ীরা নতুন করে ব্যবসা শুরু করতে রাজ্য সরকারের কাছে আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। (Baghajatin Market Fire Incident)
কৃষ্ণনগরে SUCI-র বুকস্টলে হামলা, বুকস্টলে হামলায় নিন্দায় সরব অর্থমন্ত্রী









1 thought on “নবমীর ভোরে বাঘাযতীন বাজারে আগুনে পুড়ে খাক ৪৫ দোকান, ঘটনাস্থলে দমকলের ১৫ ইঞ্জিন”
Comments are closed.