[ছবি: X]
রাতের অন্ধকারে আচমকাই কেঁপে উঠল তিব্বতের মাটি। (Tibet Earthquake) শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণ হারালেন অন্তত ১৮ জন, আহত ৬৫। ধসে পড়েছে কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩৩০টিরও বেশি বাড়ি। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে ত্রাণ ও চিকিৎসার ব্যবস্থা।
Tibet Earthquake: রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে জোরালো কম্পন
চিনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের নাগকু শহরের বাকেন (Baqen) কাউন্টিতে গতকাল স্থানীয় সময় রাত প্রায় ১০টা ৩৩ মিনিটে আঘাত হানে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প। শুক্রবার শহরের ভূমিকম্প ত্রাণ সদর দফতরের তরফে জানানো হয়, এই বিপর্যয়ে এখনও পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত ৬৫ জনের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকিদের আঘাত তুলনামূলকভাবে কম গুরুতর।
Tibet Earthquake: ক্ষতিগ্রস্ত ৩৩০টিরও বেশি বাড়ি
ভূমিকম্পের তীব্রতায় বাচেন কাউন্টিতে ৩৩০টিরও বেশি বাড়ি ভেঙে পড়েছে অথবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ হিসাব এখনও পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি জোরকদমে চলছে বিপর্যয় মোকাবিলার কাজ। শুক্রবার প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় তৃতীয় স্তরের জরুরি অবস্থা জারি করেছে আঞ্চলিক বিপর্যয় প্রতিরোধ, প্রশমন ও ত্রাণ কমিটি।
Tibet Earthquake: উদ্ধারকাজে বিশেষ নির্দেশ জিনপিংয়ের
বিপর্যয়ের পরেই উদ্ধারকাজে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। নিখোঁজদের খোঁজে তল্লাশি, আহতদের দ্রুত চিকিৎসা এবং প্রাণহানি যতটা সম্ভব কমানোর উপর জোর দিয়েছেন তিনি।
Tibet Earthquake: পৌঁছচ্ছে ত্রাণসামগ্রী
শুক্রবার ভোর থেকেই ভূমিকম্প বিধ্বস্ত এলাকায় পৌঁছতে শুরু করেছে ত্রাণসামগ্রী। প্রশাসনের তরফে পাঠানো হয়েছে ১,০০০টি প্রিফ্যাব্রিকেটেড বাড়ি, ৩,২০০টিরও বেশি তাঁবু, ২,৮০০টির বেশি ভাঁজ করা বিছানা, কম্বল, উনুন ও পোশাক-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী।
উল্লেখ্য, ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক পাতের সংঘর্ষস্থলের কাছে অবস্থিত তিব্বত মালভূমি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। দুই পাতের প্রবল সংঘর্ষের কারণে সেখানে প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্পের আশঙ্কা থাকে।
স্কুলের বিবাদে রক্তাক্ত চণ্ডীগড়; ১৭ বছরের পড়ুয়াকে গুলি করে খুন












