দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ঘটনায় কক্রোচ জনতা পার্টি (CJP)-র তিন নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা এবং অজিঙ্ক্য শিন্ডেকে শুক্রবার স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (SEM) আদালতে হাজিরার নির্দেশ । একইসঙ্গে তাঁদের বিরুদ্ধে চলা মামলার তদন্ত চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। বৃহস্পতিবার তদন্তকারী সংস্থার তলবে হাজির হননি ওই তিন নেতা। শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টের মধ্যে তাঁদের ক্রাইম ব্রাঞ্চের কাছে হাজির হতে বলা হয়েছে। (CJP Activists)
বৃহস্পতিবার হাজিরা এড়ান
গত ২২ অক্টোবর দুপুর ১২টায় তদন্তে যোগ দেওয়ার জন্য তিন নেতাকে দিল্লির রাজৌরি গার্ডেনের ক্রাইম ব্রাঞ্চের দফতরে তলব করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা সেখানে হাজির হননি। পরে অতিরিক্ত সময় চেয়ে আবেদন করেন তাঁরা। এরপর নতুন করে নোটিস দেওয়ার কথা জানায় পুলিশ। তবে শুক্রবারের জন্য নতুন কোনও নোটিস জারি হয়নি। (CJP Activists)
বিচারবিভাগীয় হেফাজত থেকে মুক্তি
এর আগে SEM আদালতের নির্দেশে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে বিচারবিভাগীয় হেফাজত থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। তাঁদের ব্যক্তিগত বন্ড ও জামিনদারের বন্ড গ্রহণ করে আদালত। প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত ও জামিনদারের বন্ড জমা দিতে হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বন্ড কার্যকর থাকবে। বিচারক ঋতু রাজ নির্দেশ দিয়েছেন, প্রতিটি শুনানির দিন তাঁদের আদালতে হাজির হতে হবে। বন্ডের শর্তও মেনে চলতে হবে। লিখিত বয়ানে দুই নেতা শান্তি বজায় রাখা এবং আইন মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আইন অনুযায়ী যন্তর মন্তরকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্ষোভস্থল ঘোষণা না করা পর্যন্ত সেখানে বিক্ষোভের কর্মসূচি করবেন না বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। ভবিষ্যতে কোনও বিক্ষোভ হলে তা সংবিধানের নিয়ম মেনেই করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, লিখিত প্রতিশ্রুতি জমা দেওয়ার পর এই মুহূর্তে তাঁদের আরও বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখার প্রয়োজন নেই। (CJP Activists)
১৩ অক্টোবরের বিক্ষোভ ঘিরে মামলা
গত ১৩ অক্টোবর যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ঘটনায় সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করে পুলিশ। তার আগে ওই স্থানকে নির্দিষ্ট বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। (CJP Activists) পুলিশের অভিযোগ, ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভিতর দিয়ে ওই এলাকায় প্রবেশ করে বিক্ষোভের শর্ত ভঙ্গ করেন কর্মীরা। তবে আদালত জানিয়েছে, এই ঘটনায় তদন্ত আইন মেনেই চলবে।











