রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

ছাপিয়ে গেল সব রেকর্ড, পুজোয় রেকর্ড গড়ল কলকাতা মেট্রো

Published on: October 23, 2026
kolkata metro
---Advertisement---

পুজোয় রেকর্ড গড়ল কলকাতা মেট্রো। পুজোর সময় যানজট এড়িয়ে শহর থেকে শহরতলিতে ঠাকুর দেখতে মানুষের একমাত্র ভরসা ছিল কলকাতার এই লাইফলাইন। চতুর্থী থেকে দশমী এই কদিনে ৭৩ লক্ষ যাত্রী চড়েছেন মেট্রোয়। সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ভিড় হয়েছে ষষ্ঠীর দিন। দিনভর গ্রিন লাইন থেকে ব্লু লাইন, ইয়োল লাইনে শুধুই মানুষের মাথার ভিড়। পাতালপথে কয়েক বছরেও এমন ভিড় নজরে আসেনি। প্রসঙ্গত, গত বছর পঞ্চমী থেকে দশমী পর্যন্ত মেট্রোয় মোট যাত্রী সংখ্যা ছিল ৪৬ লক্ষ ৫৬ হাজার। সেই তুলনায় এবারে মেট্রোয় যাত্রী সংখ্যা একলাফে অনেকটাই বৃদ্ধি পেল (kolkata metro)।

kolkata metro: কোন কোন দিন কত রেকর্ড?

এবার পুজোয় সারারাত মেট্রো চলেছে। সবচেয়ে বেশি ছিল রাতে। কালীঘাট, শোভাবাজার, এসপ্ল্যানেড, টালিগঞ্জ, শোভাবাজার, শ্যামবাজারে যাত্রীর চাপ ছিল খুব বেশি। ভিড়ের এবার রেকর্ড গড়েছে ষষ্ঠীর রাত। জনপ্লাবন ভেঙে এদিন রাতে যাত্রীর সংখ্যা ১২.০১ লক্ষ। মেট্রো রেল সূত্রে খবর, চতুর্থীতে ১১.৬০ লক্ষ, পঞ্চমীতে ১১.৭৫ লক্ষ, প্রথম সপ্তমীতে ৯.৭৮ লক্ষ,দ্বিতীয় সপ্তমীতে ৮.১৩ লক্ষ, অষ্টমীতে ৮.৪২ লক্ষ, নবমীতে ৮ লক্ষ এবং দশমীতে ৩.৪১ লক্ষ (kolkata metro)।

কোন স্টেশনে কত রেকর্ড?

যাত্রীর সংখ্যা হিসেব করলে, ব্লু লাইনের পর রয়েছে গ্রিন লাইন। রোজই ৩ থেকে সাড়ে তিন লক্ষ যাত্রী এই রুট দিয়ে যাতায়াত করেন। তবে স্টেশন ভিত্তিক হিসাব করলে দমদম স্টেশনে সবচেয়ে বেশি যাত্রী রেকর্ড গড়েছে। মোট ৮.৯৭ লক্ষ যাত্রী এই স্টেশনে নেমেছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কালীঘাট ৮.৮৩ লক্ষ যাত্রী। শিয়ালদহ স্টেশনে ৪.১৯ লক্ষ যাত্রী।

উৎসবের মরশুমে এই বিশাল যাত্রী সমাগম সফলভাবে সামলানো মেট্রো কর্তৃপক্ষের কাছে এক বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। যাত্রীদের নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অত্যন্ত ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলিতে অতিরিক্ত পরিমাণে আধিকারিক ও কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। স্টেশন গুলিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (RPF) এবং রাজ্য পুলিশের জওয়ানদের দায়িত্বে রাখা হয়েছিল।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now