দিল্লিতে বাড়ি ভেঙে মৃত্যু বাবা ও ছেলের। রবিবার সন্ধ্যায় উত্তর-পূর্ব দিল্লির মিলন গার্ডেন এলাকায় ভেঙে পড়ে একটি বাড়ির দু’টি স্ল্যাব। ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে মৃত্যু হয় চন্দরপাল (৬০) এবং বিজয় কুমার (৩৩)-এর। উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন। বাড়িটিতে নতুন তলা তৈরির কাজ চলছিল বলে জানা গিয়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগে সত্য নিকেতনে বাড়ি ভেঙে সাত জনের মৃত্যুর পর ফের এই ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে। (Delhi Building Collapse)
১৪ ঘণ্টা ধরে চলে উদ্ধারকাজ
দিল্লি ফায়ার সার্ভিস সূত্রে খবর, রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৬ মিনিটে বাড়ি ভেঙে পড়ার খবর আসে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন। ধ্বংসস্তূপের নীচে দু’জন আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হয়। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। উদ্ধার অভিযানে যোগ দেয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF), দমকল, স্থানীয় পুলিশ, সিভিল ডিফেন্স কর্মী এবং এলাকার বাসিন্দারা। প্রায় ১৪ ঘণ্টা ধরে চলে উদ্ধারকাজ। ডিভিশনাল ফায়ার অফিসার রবীন্দ্র সিং জানান, আপাতত উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ঘটনাস্থলে কর্মীদের মোতায়েন রাখা হবে। (Delhi Building Collapse)
নতুন তলা তৈরির কাজ চলছিল
পুলিশের অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার সন্দীপ লাম্বা জানান, বাড়িটি আগে একতলা ছিল। তার উপরে আরও একটি তলা তৈরির কাজ চলছিল। বাড়িটির মালিক মনোজ কুমার। নীচের তলায় একটি গুদামঘর ছিল। বাড়ির উপরের অংশ-সহ গুদামঘরটিও ভেঙে পড়ে। ঘটনাস্থলে যান দিল্লির মন্ত্রী কপিল মিশ্র এবং আশিস সুদ। উদ্ধারকাজের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তাঁরা। প্রথম দিকে কপিল মিশ্র জানান, ধ্বংসস্তূপের নীচে দু’জন আটকে থাকতে পারেন। তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। (Delhi Building Collapse)
কী কারণে ভাঙল বাড়ি?
কপিল মিশ্রের প্রাথমিক অনুমান, বাড়িতে নতুন লিন্টেল বসানোর চেষ্টা চলছিল। সেই সময় সেটি ভেঙে পড়ে। এর জেরে নীচের অংশও ধসে যায়। এক স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, উপরের তলার জন্য কংক্রিটের স্ল্যাব ঢালাই করা হচ্ছিল। নীচের স্ল্যাব দুর্বল থাকায় সেটি ভেঙে পড়ে। তার পর উপরের স্ল্যাবটিও ধসে যায়। ঘটনাটিকে দুর্ভাগ্যজনক বলে উল্লেখ করেছেন কপিল মিশ্র। কী কারণে বাড়িটি ভেঙে পড়ল, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। (Delhi Building Collapse)











1 thought on “ফিরল সত্য নিকেতনের স্মৃতি, দিল্লিতে বাড়ি ভেঙে মৃত বাবা-ছেলের”
Comments are closed.