বিরাট কোহলি এবং হ্যারি কেনকে একসঙ্গে খুব একটা বেশি দেখা না গেলেও, তাঁদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের গল্প সকলেরই জানা। হ্যারি কেন ২০২৬-এর ব্যালন ডি’অর ট্রফি জয়ের পর বিরাট কোহলি তাঁর ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে তাঁকে অভিনন্দন জানালেন। তাঁর এই আবেগঘন পোস্টটিই সমাজমাধ্যমে বেশ ভাইরাল হয়েছে (Harry Kane)।
Harry Kane: সমাজমাধ্যমে কী লিখলেন কোহলি?
এমবাপে ও লামিন ইয়ামালকে পেছনে ফেলে হ্যারি (Harry Kane) কেন-এর এই জয় নিয়ে যখন সমাজমাধ্যমে নানা মত তৈরি হয়েছে, আর ঠিক সেই সময়ে সমাজমাধ্যমে কোহলির এই পোস্ট বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পোস্টে কোহলি লিখেছেন, “হ্যারি, আমার বন্ধু, তোমার অদম্য মানসিক শক্তি, কঠোর পরিশ্রম এবং সততার জন্য তুমি এই পুরস্কারের প্রতিটি অংশের যোগ্য। যে সততা নিয়ে তুমি এতদিন ধরে ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিজেকে টিকিয়ে রেখেছ। তোমার জন্য সত্যিই খুব আনন্দিত। ঈশ্বর তোমার ও তোমার পরিবারের মঙ্গল করুন। তোমার পরিবারের সকলে নিশ্চয়ই তোমাকে নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত, ঠিক যেমন তুমি নিজেও তোমার এই যাত্রাকে নিয়ে গর্ববোধ করো। আমার পক্ষ থেকে সবসময় শুভকামনা রইল। অভিনন্দন!”
ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর জয় নিয়ে হ্যারি কেন কী বললেন?
জয়ের পর হ্যারি কেন জানান, কেরিয়ারের শুরুতে তাঁকে অনেক প্রত্যাখ্যানের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, তবে পরবর্তীতে টটেনহ্যাম হটস্পারে তিনি নিজের ছাপ ফেলতে সক্ষম হন। এছাড়া, তিনি তার সতীর্থ, ভক্ত এবং যে সকল কোচের অধীনে তিনি খেলেছেন। তাঁদের সকলকে ধন্যবাদ জানান—যাদের সহায়তায় তিনি আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে পেরেছেন। তিনি আরও বলেন, “ব্যালন ডি’অরের জন্য ‘ফ্রান্স ফুটবল’-কে আবারও ধন্যবাদ, এমন চমৎকার একটি আয়োজন করার জন্য। লন্ডনে এই পুরস্কারটি পাওয়া বিষয়টিকে আরও বিশেষ করে তুলেছে। আজকের দিনটি যেন একটি শুভ সংকেত নিয়ে এসেছিল, তাই আপনাদের সকলকে অনেক ধন্যবাদ।”
দেশের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সই কেনকে এই পুরস্কার এনে দিয়েছে। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ৫১টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ৬১টি গোল করেছেন তিনি। ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপেও নজর কেড়েছেন। সব মিলিয়ে ক্লাব ও দেশের হয়ে তাঁর গোলসংখ্যা ৭৩। তাঁর নেতৃত্বে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান পেয়েছে ইংল্যান্ড। ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এটাই বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সেরা ফল (harry kane wins ballon dor)।












