(Baruipur Car Fraud) সরকারি দফতর কিংবা বিভিন্ন এজেন্সিতে গাড়ি ভাড়া দেওয়ার কথা বলে মালিকদের কাছ থেকে গাড়ি নেওয়া। তারপর সেই গাড়িই জাল নথি তৈরি করে বিক্রি করে দেওয়া। এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে চলছিল গাড়ি প্রতারণার কারবার। অবশেষে এই চক্রের পর্দাফাঁস করল বারুইপুর পুলিশ জেলা। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে ১১টি গাড়ি।
Baruipur Car Fraud: কীভাবে চলত প্রতারণা?
পুলিশ সূত্রে খবর, গত মাসের ১১ তারিখে সোনারপুর থানায় এই সংক্রান্ত একটি অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তে নেমে রাকিব মোল্লা নামে ৩৫ বছর বয়সি এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁর বাড়ি বারুইপুরের মল্লিকপুরে। এই চক্রে যুক্ত ৪২ বছর বয়সি শঙ্কর গুপ্তকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। সে নয়াবাদ এলাকার বাসিন্দা।
অভিযোগ, গাড়ির মালিকদের কাছ থেকে ভাড়ার নাম করে গাড়ি নিয়ে সরকারি দফতর বা এজেন্সিতে দেওয়ার কথা বলে অন্য ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিত অভিযুক্তরা। জাল নথির পাশাপাশি গাড়িতে পুলিশ বা আইনজীবীর স্টিকার লাগানো হত, যাতে সন্দেহ না হয়। মডেল অনুযায়ী ৭ থেকে ৯ লক্ষ টাকায় বিক্রি করা হত গাড়িগুলি।(Baruipur Car Fraud)
Baruipur Car Fraud: ৩টি অভিযোগ, উদ্ধার ১১টি গাড়ি
বারুইপুর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৌমজিৎ বড়ুয়া জানান, এখনও পর্যন্ত ১১টি গাড়ি উদ্ধার হয়েছে। কলকাতা, হাওড়া ও উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকা থেকে গাড়িগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “এখনও পর্যন্ত আমরা তিনখানা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তে নেমে ১১টি গাড়ি রিকভার করা হয়েছে। আরও গাড়ি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।”
(Baruipur Car Fraud) পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, প্রায় ২৮-৩০টি গাড়ি এই কায়দায় বিক্রি করা হয়েছে। বিভিন্ন থানায় ইতিমধ্যেই সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ির দোকানগুলিতেও তদন্ত চালানো হচ্ছে।ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, এই ধরনের প্রতারণা রুখতে আরটিও দফতরকেও বিষয়টি জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে পুলিশের। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রের বাকি সদস্যদের খোঁজ চলছে।














