(Baruipur Jewellery Fraud) সোনা কিনতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হওয়ার অভিযোগ। বিল বলছে ২২ ক্যারেট, ওজন ২.৫৫০ গ্রাম। অথচ গয়না গলিয়ে পরীক্ষা করাতেই মিলল মাত্র ১.১৪০ গ্রাম সোনা। শুধু তাই নয়, হলমার্কের জন্য টাকা নেওয়া হলেও গয়নায় সঠিক হলমার্ক ছিল না বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বারুইপুরের ব্যাঙ্গালোর জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে থানায় FIR দায়ের করলেন হুগলির খানাকুলের এক ব্যক্তি।
Table of Contents
সোশ্যাল মিডিয়ার বিজ্ঞাপন দেখে কেনাকাটা
অভিযোগকারী সৌরভ সিংহ রায়ের দাবি, গত ২ অক্টোবর ২০২৬ ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়ো বিজ্ঞাপন দেখে তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের ব্যাঙ্গালোর জুয়েলার্সে যান। সেখান থেকে মতি চোকার, কভার নোয়া এবং কভার বালা-সহ মোট পাঁচটি গয়না কেনেন। বিলে কভার বালার ওজন উল্লেখ ছিল ২.৫৫০ গ্রাম। কিন্তু গয়নার বিশুদ্ধতা নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় তিনি সেটি পরীক্ষা করানোর সিদ্ধান্ত নেন। (Baruipur Jewellery Fraud)
গয়না গলাতেই সামনে এল চাঞ্চল্যকর দাবি
(Baruipur Jewellery Fraud) সৌরভের বক্তব্য, গয়নাটি পিসি চন্দ্র জুয়েলার্সে গলাতে নিয়ে গেলে তাঁকে জানানো হয়, তাতে সোনার পরিমাণ মাত্র ১.১৪০ গ্রাম। অর্থাৎ বিলে উল্লেখিত ওজনের তুলনায় অনেকটাই কম। তাঁর আরও অভিযোগ, হলমার্ক চার্জ নেওয়া হলেও গয়নায় যথাযথ হলমার্কের স্ট্যাম্প ছিল না এবং ২২ ক্যারেটের নামে অন্য মানের সোনা বিক্রি করা হয়েছে।
সৌরভের কথায়, “পুরোপুরি ঠকানো হয়েছে। আমি চাই, পুলিশ সঠিক পদক্ষেপ করুক এবং অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তি হোক।”
থানায় FIR, তদন্তে পুলিশ
একই অভিযোগ তুলেছেন প্রদীপ সিংহ রায়ও। তাঁর দাবি, ব্যাঙ্গালোর জুয়েলার্স থেকে কেনা গয়না গলাতে গিয়ে দেখেন, ঘোষিত ওজনের তুলনায় সোনার পরিমাণ প্রায় ৫০ শতাংশ কম। তাঁর কথায়, “মানুষ টাকা দিয়ে যে জিনিস কিনছেন, তাঁরা যেন সেই জিনিসটাই পান।”
(Baruipur Jewellery Fraud) বৃহস্পতিবার বারুইপুর থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে FIR দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সংশ্লিষ্ট দোকানে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। অন্যদিকে, দোকানের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি। অভিযোগের সত্যতা এখনও প্রমাণিত নয়। অভিযোগ খতিয়ে দেখে তদন্তে বারুইপুর থানার পুলিশ।












