ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলায় শিল্পপতি অনিল আম্বানিকে ঘিরে তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) (Anil Ambani Property Seized)। মুম্বইয়ের পালি হিল এলাকায় অবস্থিত তাঁর ১৭ তলা বিলাসবহুল আবাস ‘অ্যাবোড’ অস্থায়ীভাবে সংযুক্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। প্রায় ৬৬ মিটার উঁচু এই ভবনের আনুমানিক মূল্য ধরা হয়েছে ৩,৭১৬.৮৩ কোটি টাকা। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন (PMLA)-এর আওতায় জারি হওয়া এই নির্দেশের ফলে মামলায় মোট সংযুক্ত সম্পদের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫,৭০০ কোটি টাকা।
রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস (RCOM)-কে ঘিরে আর্থিক অনিয়ম ও ঋণ তছরুপের অভিযোগের ভিত্তিতে এই তদন্ত শুরু হয়। সিবিআইয়ের দায়ের করা একাধিক এফআইআর থেকে সূত্র নিয়ে ইডি অর্থ পাচার, প্রতারণা এবং জনসাধারণের তহবিল সরানোর অভিযোগ খতিয়ে দেখছে। ইতিমধ্যে মুম্বই ও দিল্লিতে গোষ্ঠী-সংযুক্ত ৩৫টিরও বেশি ঠিকানায় তল্লাশি চালানো হয়েছে এবং বহু সংস্থার আর্থিক নথি পরীক্ষা করা হয়েছে।
তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, ২০১৭ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ইয়েস ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া প্রায় ৩,০০০ কোটি টাকার ঋণ শেল সংস্থার মাধ্যমে অন্যত্র সরানো হয়ে থাকতে পারে। ঋণ অনুমোদনের আগে ও পরে সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ইতিমধ্যেই আরকম ও অনিল আম্বানিকে ‘ফ্রড’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
এদিকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দলও বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে। অনিল আম্বানিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। ‘অ্যাবোড’ সংযুক্তির ঘটনায় কর্পোরেট জগতের অন্যতম বহুল আলোচিত এই তদন্তে নতুন মোড় এল বলেই মনে করা হচ্ছে।












