বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদবানিকে খুব শীঘ্রই দেখা যাবে যশ অভিনীত বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘টক্সিক: এ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন-আপস’-এ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই ছবির শুটিংয়ের সময়কার এক ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন তিনি। অভিনেত্রীর কথায়, চরিত্রের মধ্যে পুরোপুরি ঢুকে যাওয়ার জন্য ছবির পরিচালক গীতু মোহনদাস তাঁকে সেটে কারও সঙ্গে ‘হাই-হ্যালো’ বা সাধারণ সৌজন্য বিনিময় করতেও নিষেধ করেছিলেন। (Kiara Advani)
কিয়ারা জানান, সাধারণত তিনি শুটিং ফ্লোরে পৌঁছেই সকলের সঙ্গে খোলামেলা ভাবে মেশেন । কিন্তু ‘টক্সিক’-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যের আগে পরিচালক তাঁকে অন্যরকম নির্দেশ দেন। অভিনেত্রীর কথায়, গীতু মোহনদাস বলেছিলেন, পরদিন সেটে এসে যেন তিনি সরাসরি নিজের চরিত্রের মানসিক অবস্থার মধ্যে ঢুকে পড়েন। এমনকি নিজের টিমের সদস্যদের সঙ্গেও কোনও ধরনের কথাবার্তা বা সৌজন্য বিনিময় না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কিয়ারা বলেন, ‘হাই-হ্যালো’ বলাও ছিল বারণ। তবে এই নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য ছিল, চরিত্রের আবহ থেকে যাতে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও বেরিয়ে না আসেন।
হিন্দি এবং তেলুগু ছবিতে কাজ করার পর এই প্রথম কোনও কন্নড় ছবিতে অভিনয় করছেন কিয়ারা। তবে ছবিটির শুটিং হয়েছে দুটি ভাষায়, যা তাঁর কাছে বেশ কঠিন অভিজ্ঞতা ছিল। তিনি জানান, প্রতিটি দৃশ্য প্রথমে ইংরেজিতে শুট করা হতো। সেই টেক চূড়ান্ত হওয়ার পর একই দৃশ্য আবার কন্নড় ভাষায় ধারণ করা হতো। কন্নড় ভাষায় স্বচ্ছন্দ না হওয়ায় শুটিংয়ের আগের রাতে সংলাপ মুখস্থ করতে বেশ পরিশ্রম করতে হয়েছে তাঁকে। (Kiara Advani)
দক্ষিণী চলচ্চিত্র জগতের কাজের পরিবেশ নিয়েও মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী। তাঁর মতে, বলিউড ও দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। কিছু সাংস্কৃতিক ভিন্নতা থাকলেও কাজের ধরন এবং পেশাদারিত্বের ক্ষেত্রে দুই ক্ষেত্রেই যথেষ্ট মিল রয়েছে।
কেভিএন প্রোডাকশন্স এবং মনস্টার মাইন্ড ক্রিয়েশন্সের প্রযোজনায় তৈরি ‘টক্সিক’ ছবিতে কিয়ারা আদবানির পাশাপাশি অভিনয় করছেন যশ, নয়নতারা, হুমা কুরেশি, রুক্মিণী বসন্ত এবং তারা সুতারিয়া। মূলত ইংরেজি এবং কন্নড় ভাষায় শুট হওয়া এই ছবি হিন্দি-সহ একাধিক ভাষাতেও মুক্তি পাবে।
উল্লেখ্য, ছবিটি প্রথমে ২০২৬ সালের ৪ জুন মুক্তির কথা থাকলেও সেই পরিকল্পনায় পরিবর্তন এসেছে। নির্মাতাদের পক্ষ থেকে ছবির মুক্তি পিছিয়ে দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। তবে নতুন মুক্তির তারিখ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। (Kiara Advani)













1 thought on “‘হাই-হ্যালো’ বলাও ছিল বারণ! ‘টক্সিক’-এর সেটে কিয়ারাকে কড়া নির্দেশ পরিচালকের”