মহারাষ্ট্রে ১৮০ জন কিশোরীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ। মঙ্গলবার মহম্মদ আয়াজ (180 Minors Sexually Abused) ওরফে তনবীর নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বই পুলিশ। এই ঘটনার পরই অচলপুর পুরসভার তরফে ওই ব্যক্তির বাড়ির একাংশ জেসিবি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এমনই একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেই ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, বাড়ির বাইরে দোতলায় ওঠার জন্য নির্মিত একটি লোহার সিঁড়ি একটি জেসিবি দিয়ে ভেঙে ফেলা হচ্ছে। গোটা বিষয়টি তদারকির দায়িত্বে ছিলেন বিজেপি বিধায়ক প্রবীণ তায়েদ।
ইতিমধ্যেই অবৈধভাবে জমিটি দখলের অভিযোগে আয়াজের পরিবারকে একটি নোটিশ জারি করেছে পুরসভা। বাড়িটির চারপাশে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
শনিবার ১৯ বছর বয়সী মহম্মদ আয়াজকে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বই পুলিশ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তরুণীদের ‘প্রেমের ফাঁদে’ ফেলে মুম্বই ও পুনেতে নিয়ে যেত সে এবং সেখানে নিয়ে গিয়ে তাদের দিয়ে জোরপূর্বক অশ্লীল ভিডিয়ো বানানো হতো।
অভিযোগ, এরপর সেই ভিডিয় ব্যবহার করে তরুণীদের ব্ল্যাকমেল করত তনবীর। এরপর সেই তরুণীদের বিভিন্ন জায়গায় পাচার করে দিত। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, আয়াজকে নিয়ে বেশ কিছু ছবি ও ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। তারপরই তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মহম্মদ এক সময়ে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির AIMIM দলের সদস্য ছিল। তবে বর্তমানে তার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা জানা যায়নি। সমাজমাধ্যমে বহু ছবি ও ভিডিয়ো তনবীর পোস্ট করেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, AIMIM-এর অমরাবতী ইউনিটের সভাপতি হাজি ইরফান খান তাকে একটি চিঠি দিচ্ছেন। এদিকে দলের মিটিংয়ের রিল বানায় এই তনবীর। যদিও গ্রেফতারির পরে এই সব ভিডিয়ো ডিলিট করে দেওয়া হয় ইনস্টাগ্রাম থেকে।
৭ দিনের পুলিশি হেপাজত হয়েছে তানবীরের (180 Minors Sexually Abused)। পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্তের ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে। সেই ফোন থেকে প্রায় ৩৫০টিরও বেশি অশ্লীল ভিডিয়ো পাওয়া গিয়েছে। তনবীর এই সব ভিডিয়ো অপরাধ জগতের সঙ্গে যুক্ত কোনও সিন্ডিকেটকে পাঠাত কি না তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। সাইবার সেলকে এই তদন্তে ব্যবহার করা হচ্ছে।











