প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবন লাগোয়া বসবাসকারী প্রায় ৭০০টি পরিবারকে উঠে যাওয়ার নির্দেশ দিল দিল্লি হাইকোর্ট। আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন চত্বর থেকে এই পরিবারগুলিকে জায়গা খালি করার নির্দেশ দেয় আদালত। পাশাপাশি, তাদের সরকার নির্ধারিত পুনর্বাসন কেন্দ্রে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
pm modi: কেন উচ্ছেদ?
মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় ও বিচারপতি তেজস কারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। ওই ৭০০টি পরিবারের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া তদারকির জন্য দিল্লির প্রাক্তন জেলা বিচারক মন মোহন শর্মার নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন হয়েছে।
বিভিন্ন সরকারি সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত এই সাত সদস্যের কমিটি বস্তিবাসীদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়াটি “পর্যবেক্ষণ ও তদারকি” করবে এবং সরকার বস্তিবাসীদের যেসব সুযোগ-সুবিধা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তা নিশ্চিত করবে। এই তদারকি কমিটির মেয়াদ ছয় মাস নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, দিল্লি হাইকোর্ট এই কমিটিকে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রয়োজনীয় ও উপযুক্ত নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতাও দিয়েছে, যাতে “বস্তির বাসিন্দাদের অর্থবহ উপায়ে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়।”
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই তিনটি বস্তি অপসারণে উদ্যোগী হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের অধীনস্থ ‘ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস’ থেকে সংশ্লিষ্ট বাসিন্দাদের গত ৬ মার্চের মধ্যে বসতি খালি করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সরকারি সংস্থা ‘দিল্লি আরবান শেল্টার ইমপ্রুভমেন্ট বোর্ড’ (DUSIB)-এর মাধ্যমে বিকল্প বাসস্থানের ব্যবস্থাও করে কেন্দ্র।












