---Advertisement---
lifezone nursing home

পাকিস্তানে বসেই হামলার ছক? পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের তদন্তে উঠে এল করাচির ব্যাঙ্কের নাম

June 1, 2026 2:26 PM
Pakistan Link In Pahalgam
---Advertisement---

মাঝে কেটে গিয়েছে একটা বছর। এখনও দগদগে কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে (Pakistan Link In Pahalgam) ঘটে যাওয়া জঙ্গি হামলার সেই নৃশংস ছবি। হামলার ঘটনার পর থেকেই পাকিস্তানের যোগসূত্র উঠে আসছিল। এবার স্পষ্ট হল। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে ভারত সরকার শুরু করেছিল জঙ্গিনিধন অভিযান ‘অপারেশন মহাদেব’। অভিযান চলাকালীন এই সময়ে দু’টি মোবাইল উদ্ধার করেছিল ভারতীয় জওয়ানেরা। তার মধ্যে একটি মোবাইল কেনা হয়েছিল করাচির একটি ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে। আর সেই সূত্র ধরেই নতুন করে পাকিস্তানের যোগসূত্র, আর্থিক লেনদেন ও জঙ্গি নেটওয়ার্কের খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কিন্তু এখন প্রশ্ন পহেলগাঁও এই অভিযান চালাতে জঙ্গিরা এই বিপুল সংখ্যক অর্থ পেল কোথা থেকে? সূত্র মারফত খবর, পাকিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠী লস্কর-এ-তইবাকে অর্থ মজুত করতে সাহায্য করেছিল এই ব্যাঙ্ক। আর ওই ব্যাঙ্কেও অ্যাকাউন্ট রয়েছে লস্করই তইবার। গতবছর পহেলগাঁও হামলাতে উঠে আসে লস্কর-ই-তইবার নাম। তাদের ছায়া সংগঠন ‘দ্য রেজ়িস্ট্যান্স ফোর্স’ (টিআরএফ) হামলা চালিয়েছিল।

সূত্রের খবর, তদন্তে জানা গিয়েছে, হামলায় ব্যবহৃত Redmi 9T। এই ফোনটি ২০২১ সালে পাকিস্তান থেকে কেনা হয়েছিল। মোবাইল কোম্পানি শাওমির দেওয়া তথ্য ভিত্তিতে, ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি পাকিস্তানে চালানটি সরবরাহ করা হয়েছিল। করাচির শাহরাহ এলাকায় অবস্থিত পাকিস্তানের ফয়সাল ব্যাঙ্কের (Faysal Bank) প্রধান শাখার ঠিকানাতেও সেই চালানটিতে উল্লেখ ছিল। তদন্তকারী সংস্থার অনুমান, বড় আন্তর্জাতিক চালানের ক্ষেত্রে যেভাবে ব্যাঙ্ক ‘লেটার অফ ক্রেডিট’ বা আর্থিক গ্যারান্টি দেয়, এই ক্ষেত্রেও সেই ধরনের ভূমিকা থাকতে পারে। যদিও এখনও পর্যন্ত সরাসরি ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে জঙ্গি হামলায় জড়িত থাকার প্রমাণ মেলেনি।

তদন্তে আরও একটি রেডমি নোট 12 ফোনের খোঁজ মিলেছে। এই ফোনটি ২০২৩ সালে পাকিস্তানের লাহোর থেকে কেনা হয়েছিল। তবে এই ফোনটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ অবস্থায় পড়ে ছিল। হামলার দিন কয়েক আগে এই ফোনটি সক্রিয় করা হয় বলে জানা গিয়েছে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment