সোমবার সিজেপির (CJP)-র সংসদ অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র ধুন্ধুমার পরিস্থিতি দিল্লিতে। ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হলে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পুলিশ। প্রায় ৫০০০ পুলিশ ও আধা সেনা নামিয়ে কার্যত ঘিরে ফেলা হয় যন্তর মন্তর চত্ত্বর। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি চলে উত্তেজিত জনতার (cjp protesters)।
‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP) সোমবার জানিয়েছে যে সরকার আলোচনার জন্য তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং সংগঠনের দাবিগুলো তুলে ধরার জন্য তাদের দুজন মুখপাত্র কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে. পি. নাড্ডার সঙ্গে দেখা করবেন (cjp protesters)।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সোমবার মান্ডি হাউস মেট্রো স্টেশন থেকে যন্তর মন্তরের দিকে মিছিল করে এগিয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে দিল্লি পুলিশ লাঠিচার্জ করে।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় এবং যেকোনও ধরনের হিংসাত্মক পরিস্থিতি রুখতে দিল্লির স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নজিরবিহীনভাবে জোরদার করা হয়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (ডিএমআরসি) সোমবার রাজধানীর পাঁচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। রেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। পরে অবশ্য সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট ও রাজীব চক স্টেশনের গেট খুলে দেওয়া হয় এবং বর্তমানে সেখানে ইন্টারচেঞ্জ বা এক লাইন থেকে অন্য লাইনে যাওয়ার সুবিধা চালু রয়েছে।
দিল্লিতে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের তীব্র সমালোচনা করে সিজেপি (CJP)-র বক্তব্য, “আপনারা যদি ভাবেন কেন আমরা ঘটনাস্থল থেকে আরও তথ্য বা আপডেট দিতে পারছি না, তবে জেনে রাখুন, এই কাপুরুষোচিত পদক্ষেপ নিয়ে কর্তৃপক্ষ শহরের বিভিন্ন অংশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। আপনারা ইন্টারনেট বন্ধ করতে পারেন, কিন্তু বিক্ষোভকারীদের চোখ-কান কীভাবে বন্ধ করবেন?”
পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও নির্দিষ্ট দাবি নিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির কর্মী-সমর্থকেরা সোমবার দিল্লির যন্তর মন্তরে জমা হতে শুরু করেছিলেন। বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনেই আন্দোলনকারীরা নিজেদের দাবি সরকারের কানে পৌঁছে দিতে সংসদ ভবন অভিযানের লক্ষ্য স্থির করেন। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রথম থেকেই গোটা এলাকা নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে রেখেছিল। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করলেই পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন :











1 thought on “CJP-র সংসদ অভিযানে রণক্ষেত্র দিল্লি, লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাসে মেট্রো বন্ধে স্তব্ধ রাজধানী!”